চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ঢিলছোঁড়া দূরত্বেই ছিল বিক্রম, ল্যান্ডার বিক্রম নিয়ে বেড়িয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

32

চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ঢিলছোঁড়া দূরত্বেই ছিল বিক্রম, ল্যান্ডার বিক্রম নিয়ে বেড়িয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

ওয়েব ডেস্ক, ১৪ সেপ্টেম্বরঃ  মাত্র ২.১ কিলোমিটার,তারপর ভারত এক নতুন ইতিহাস গড়বে এমনটাই মনে করেছিলো ইসরো তথা ভারতবাসী তবে দুর্ভাগ্য কোথায় যায় সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায় পরমুহূর্তেই ইসরোর সঙ্গে বিক্রম ল্যান্ডারের। তবে কোনো কোনো রিপোর্টে সেই দূরত্ব ৩০০ মিটার ছিলো বলে উল্লিখিত।

ইসরোর রেখচিত্রে দেখা যাচ্ছিল সফল ভাবে চাঁদের থেকে ২.১ কিমি দুরত্বেও যোগাযোগ ছিল বিক্রমের সাথে। তখন যে কয়েক দফায় ল্যান্ডারের স্পিড কমানো হয়েছে তাও বোঝা গেছে স্পষ্ট। তবে তার পরই মাঝের লাল রেখার থেকে অনেকটা নিচে নেমে যায় বিক্রমের সবুজ রেখা। অর্থাৎ তখনই নিয়ন্ত্রণ হারানো শুরু করে বিক্রম।

তাঁর কয়েক সেকেন্ড পরই একটা সবুজ বিন্দুর মতো অবস্থান দেখা যায় বিক্রমের, যে বিন্দুর দুরত্ব চাঁদ থেকে মাত্র ৪০০ মিটার দূরেই। অর্থাৎ ৪০০ মিটার দূরত্ব পর্যন্ত সে গেছে তা স্পষ্ট। এখন এই নতুন সংবাদ সামনে আসর পর তার সাথে কানেক্টেড হবার চেষ্টা করছে ইসরোর বিজ্ঞানীরা। নতুন আসার আলো ফুটতে চলেছে বলেই জানালেন তারা।

কিন্তু কিছু মুহূর্ত পর কারণ চন্দ্রযান-২ এর অর্বিটার ল্যান্ডারের অবস্থানের খোঁজ পেয়েছে ফলে এত সময় ও অর্থ বাহুল্য প্রজেক্ট মাঠে মারা যায়নি বলেই ধরা হচ্ছে। মূল লক্ষ্য ছিলো এই প্রজেক্ট এর চাঁদের দক্ষিণ মেরু যেখানে বিলিয়ন কোটি বছর সূর্য ঢোকেনি সেখানে জলের অস্তিত্ব আছে আশঙ্কা করেই বিক্রম কে ওখানে

ল্যান্ড করানো হবে ঠিক ১.৫২ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডে তবে তার আগেই সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ইসরোর সঙ্গে চন্দ্রযান-২ এর ল্যান্ডার বিক্রমের।

চন্দ্রযান-১ এর ডিরেক্টর মাইলস্বামী আন্নদুরাই বলেন, ‘চাঁদের পৃষ্ঠেই বাধা পাচ্ছে, তাই ল্যান্ডার বিক্রমের সংকেতে বাধা আসছে,ল্যান্ডার যেখানে অবতরণ করেছিল তা অবতরণের জমি হিসাবে যথেষ্ট উপযুক্ত নয়। তাছাড়া এমন কিছু বাধাও থাকতে পারে, যা তার সঙ্গে সংযোগ স্থাপন থেকে আটকাতে চেষ্টা করছিল, তিনি আরও বলেন, অরবিটার এবং ল্যান্ডারের মধ্যে সর্বদা দ্বি-মুখী যোগাযোগ থাকে তাই অন্য একটি উপায়ে যোগাযোগ করা সম্ভব। তবে তা ৫-১০ মিনিটের বেশি হবে না”