রেল উন্নয়নের বিভিন্ন দাবি নিয়ে বিক্ষোভ করল তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী ও সমর্থকরা

40

নরেশ ভকত, বাঁকুড়াঃ বাঁকুড়া হিন্দি স্কুলের ময়দান থেকে পদ যাত্রা শুরু করে বাঁকুড়া শহরের রানীগঞ্জ মোড়, নতুন গঞ্জ, হয়ে বাঁকুড়া রেল স্টেশনে এসে সমাপ্ত হয।এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন রাষ্ট্র পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর শ্যামল সাঁতরা, জেলা পরিষদের সভাধিপতি মৃত্যুঞ্জয় মুর্মু সহ-সভাপতি শুভাশিস বটব্যাল ও মেন্টর অরূপ চক্রবর্তী, পৌরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান। এছাড়াও এই পথে যাত্রা তে বহু তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা ছাড়াও রেল সংলগ্ন বসবাসকারী যেসব মানুষেরা গৃহহীন হয়ে পড়ে তারাও এই পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। স্টেশন এলাকাতে কিছুক্ষণ ধরে বিক্ষোভ কর্মসূচি চলে।  তারপর সেখান থেকে বাঁকুড়ার রেল দপ্তরের স্টেশন ম্যানেজারের হাতে মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা ও অন্যান্য কর্মীরা গিয়ে ১৪ দফা দাবির স্মারকলিপি তুলে দেন।

মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা জানান, বাঁকুড়া জেলাকে রেল পরিষেবা থেকে দীর্ঘদিন ধরে  বঞ্চিত করে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী রেলমন্ত্রী থাকাকালীন বাঁকুড়া জেলায় অনেকগুলি রেল প্রকল্পের শিলান্যাস ও প্রকল্পের কাজ চালু করে দিয়েছিলেন। যেমন বিষ্ণুপুর থেকে তারকেশ্বর রেল লাইন, ছাতনা থেকে মুকুটমনিপুর রেল প্রকল্প, জয় চন্ডী থেকে খানা জংশন রেল প্রকল্প এছাড়াও বাঁকুড়া থেকে মশাগ্রাম পর্যন্ত রেলের কাজ কোথাও ৫০% বা কোথাও ৩০% কাজ শুরু হয়ে গিয়েছিল।

কিন্তু বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরেও এইসব রেল প্রকল্পের কাজ প্রায় স্তব্ধ হয়ে গেছে। বাঁকুড়া জেলায় দুজন বিজেপি সাংসদ নির্বাচিত হলেও তাদের কোনো এই রেল প্রকল্পগুলি নিয়ে চিন্তাভাবনা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে অবস্থায় কাজ করেছিল সেই অবস্থাতেই পড়ে রয়েছে এই রেল প্রকল্প। তাই আজ বাঁকুড়া জেলার তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা ১৪ দফা দাবি নিয়ে এই কর্মসূচি পালন করল। আগামী দিনে যদি কোনো কাজ না হয় বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বলে তারা জানিয়েছেন।