ভুল করে ফাঁস হয়ে গেল সঠিক তথ্য, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ২৪ হাজার

1510

ওয়েব ডেস্ক, ৭ ফেব্রুয়ারিঃ ভুল করে ফাঁস হয়ে গেল সঠিক তথ্য, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ২৪ হাজার। ভুল করে কি তবে প্রকাশ্যে এসে গেল করোনা ভাইরাসে মৃত্যুর আসল সংখ্যা? সরকারের তরফে ৫৬৫ জনের মৃত্যুর হিসেব দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু, সম্প্রতি প্রকাশ্যে এল অন্য তথ্য। করোনা ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ২৪ হাজার ৫৮৯ জনের। ‘ভুল করে’ এমন চাঞ্চল্যকর তথ্যই প্রকাশ করে ফেলল চিনা বহুজাতিক সংস্থা  টেনসেন্ট। সেখানে বলা হচ্ছে- করোনা ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ২৪ হাজার ৫৮৯ জনের। আর আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৩ জন। ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই পরিসংখ্যান দেওয়া হয়েছে।

ভয়াবহ করোনা ভাইরাসের আক্রমণে এপর্যন্ত প্রায় ৬৩০ জন আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে চিন। সরকারি পরিসংখ্যান মতে আক্রান্তের সংখ্যা ৩১ হাজার ১৬১ জন। তবে সরকারের দাবির ঠিক উলটো নিজেদের ওয়েবপেজ।

টেনসেন্টের ওয়েবপেজে ‘মহামারি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ’ শিরোনামে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। তবে কিছুক্ষণ পরই টেনসেন্ট তাদের তথ্য সংশোধন করে নেয়। সংশোধনের পর সেখানে সরকারি হিসাব ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এর দাবি, ভুল করে করোনা সংক্রান্ত সঠিক তথ্য প্রকাশ করে ফেলেছে সংস্থাটি। অন্তত তিনবার সরকারের দেওয়া তথ্যের অনেক বেশি মৃত্যুর পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে টেনসেন্ট। প্রযুক্তিগত কারণেই সঠিক তথ্য প্রকাশ হয়ে গিয়েছে বা কেউ চিনা প্রশাসনের শিকল ছিড়ে আসল তথ্য প্রকাশ করতে চাইছে বলেও দাবি করেছে সংবাদমাধ্যমটি।

উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের গ্রাসে মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে বলা হলে খুব একটা ভুল বলা হবে না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিনে এই ভাবে কোনওদিনও রোগে ভুগে স্থানীয়রা মারা যাননি। সংক্রমণ যাতে নতুন করে দেশের অন্য প্রান্তে ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য ছোট ছোট দলে বিভিন্ন মেডিক্যাল টিম গঠন করে নজরদারি চালানো হচ্ছে। তবু বাগ মানছে না ভাইরাস। চিনের মূল ভূখণ্ড, হংকং, ম্যাকাও, তাইওয়ান মিলিয়ে ৩১টি প্রদেশে করোনাভাইরাসের জীবাণু মিলেছে। পরিস্থিতি এমন সদ্যোজাত শিশুও সুরক্ষিত নয়। অবস্থা হাতের বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে দেখে চিন এখন মার্কিন সাহায্য নিতেও পিছপা নয়।      

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানাচ্ছে, চিনের অবস্থা আরও সঙ্গীন। এই মৃত্যু মিছিলের শেষ কোথাও কারোর জানা নেই। হু বিশ্ব জুড়ে জারি করেছে জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি-হেল্থ এমার্জেন্সি।