ব্যবসায়ীদের উপর হামলার অভিযোগ বসিরহাটে, আগ্নেয়াস্ত্র সামনে রেখে বিজেপির সভা

40

শ্যাম বিশ্বাস, বসিরহাট: রবিবার রাতে হাসানাবাদের একদল দুষ্কৃতি আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে তোলাবাজি করে বলে অভিযোগ। বসিহাট মহাকুমার হাসনাবাদ থানা শিমুলিয়া গ্রামের  এই ঘটনায়  উত্তেজনা ছড়ায়।অভিযোগ গতকাল রাতে এলাকার এক নাম করা সমাজবিরোধী, রাতের অন্ধকারে মাছের গাড়ি দাঁড় করিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে তোলাবাজি করছিল ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে, টাকা  দিতে অস্বীকার করায় দুষ্কৃতীদের  সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে ও ওই ব্যবসায়ীদের মারধোর করা হয় বলে জানা গেছে।

তারপর ব্যবসায়ীরা এক হয়ে ওই দুষ্কৃতীদের তাড়া করলে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও ম্যাগাজিন ফেলে পালিয়ে যায় ওই দুষ্কৃতীরা। সেখানে থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও ম্যাগাজিন উদ্ধার করে এলাকাবাসীরা তারপর হাসনাবাদ থানায় খবর দেওয়া হয় ঘটনাস্থলে হাসনাবাদ থানার পুলিশ যায় এবং  পরিস্থিতি সামালদেয়। তবে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়নি।

এদিকের এই ঘটনাকে রাজনৈতিক ইস্যু করে পথে নামে বিজেপি। তারা ওই দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে  সোমবার হাসনাবাদ থানা শিমুলিয়া কালিবাড়ি বাজার এলাকায় বিক্ষোভ দেখায়। বিজেপির নেতা নিমাই দাসের নেতৃত্বে ওই এলাকার ব্যবসায়ীরা ও বিজেপি কর্মী সমর্থকদের নিয়ে শিমুলিয়া কালিবাড়ি বাজার এলাকায় একটি পথসভা হয়। এই সভা চলাকালীন সেখানে টেবিলের উপর আগ্নেয়াস্ত্র রাখা হয় প্রকাশ্য দিবালোকে।

বিজেপির মতো সর্ব ভারতীয় রাজনৈতিকদল পথসভা করছে ও বিক্ষোভ দেখাচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র সামনে রেখে এই ঘটনায় হতবাগ সাধারণ মানুষ, এমনকি বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

যেভাবে প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র টেবিলের উপর রেখে যে পথসভা করছে তা কতটা সঠিক এ নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। যদিও ওই আগ্নেয়াস্ত্র আসল কি নকল, এ নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। পরে অবশ্য ঘটনাস্থলে হাসনাবাদ থানার পুলিশ গিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে ও দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করা হবে এমনই আশ্বাস দিলে অবরোধ উঠে যায়।

মনে করা হচ্ছে দুষ্কৃতিদের সাথে মৎসজীবীদের গোলমালের ঘটনার সময়ে গ্রামবাসিরা যে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেন সেটা পুলিশের কাছে জমা না দিয়ে প্রতিক হিসেবে পথসভায় রেখে তারা কর্মসূচী পালন করেন। স্থানীয় বিজেপির নেতৃত্বে এই সভাটি হয়।