৩৯ বার বিয়ে করে বিশ্ব রেকর্ড করার পর ৪০ নম্বর বিয়ে করতে প্রস্তুত, জানুন তিনি কে ?

995

মনিরুল হক, বিশেষ প্রতিবেদনঃ ৩৯ বার বিয়ে করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন এক ব্যক্তি। কিন্তু তাতেও তিনি ক্ষান্ত হন নি। আবারও সাড়ম্বরে বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ৩৯ স্ত্রী, ৯৪ ছেলে মেয়ে, ১৪ পুত্রবধূ ও ৩৪ নাতি-নাতনি মিলিয়ে তার পরিবারের সদস্য সংখ্যা ১৮০ জন। তিনিই বিশ্বের সর্ববৃহৎ একান্নবর্তী পরিবারের সর্বময় কর্তা। তিনি হলেন ভারতের মিজরাম প্রদেশের ছানা পাওল।

তিনি জন্মেছেন ১৯৪৫ সালে। তার বাড়ি ভারতের মিজোরাম প্রদেশের বাকাতাওয়া গ্রামের বাসিন্দা ছানা পাওল। বাকাতাওয়া গ্রামটি যা বাংলাদেশ ও মায়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত। ১৭ বছর বয়সে তিনি প্রথম বিয়ে করেন। তার প্রথম স্ত্রী জাথিয়াঙ্গি তার চেয়ে বয়সে তিন বছরের বড়।

এরপর থেকে তিনি নিয়মিত বিয়ে করতে শুরু করেন। তিনি একই বছরে সর্বোচ্চ ১০টি বিয়ে করেছিলেন। পরিবারটির আকার বড় হলেও কোনো সদস্যই আলাদা থাকেন না। একই ছাদের তলায় সদস্যদের রান্না হয় বিশাল চুলায়। চারতলা বাড়িতে ঘর রয়েছে মোট ১০০টি। রয়েছে প্রায় দেড়শ’ বিছানা। এছাড়াও রয়েছে আত্মীয়দের জন্য আলাদা ঘরের বন্দোবস্ত। তার স্ত্রীদের দাবি, তারা সবাই তাকে ভালোবাসেন এবং সবার মধ্যে বেশ মিলমিশ আছে।

চারতলা বাড়িতে ১০০টি ঘর

কিন্তু এত বড় সংসার যেখানে সেখানে খাবারের আয়োজন কেমন? সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পরিবারের একবেলার খাবারের জন্য দরকার পড়ে ৩০টি মুরগি আর ৪০ কেজি চালের ভাত। বছরের পর বছর বিশ্বের এই ব্যতিক্রমী পরিবার এভাবেই চলছে। কোথাও কোনো অসুখের বাতাবরণ নেই, বেশ শান্তিতেই রয়েছেন পরিবারের সব সদস্য।

সর্বময় কর্তা ছানা পাওলের কথাই চূড়ান্ত বলে ধরা হয় এখানে। সন্তানরা বড় হলেও বাবার বিরুদ্ধে কথা বলার রেওয়াজ নেই এ পরিবারে। তারা বাবাকে যেমন ভয় করে তেমনই সমীহ করে চলে। তবে শুধুই কি ছেলে মেয়েরা? ছানার স্ত্রীরাও কি স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল?

পরিবারের সদস্য সংখ্যা ১৮০ জন

তার সর্বকনিষ্ঠ স্ত্রী রিংকমিনির বক্তব্য, এ সংসারে সবকিছুই না চাইতে পাওয়া যায়। আক্ষেপ কেবল একটাই। চাইলেই স্বামীকে কাছে পাওয়া যায় না। দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হয়। স্বামীর মন পেতে চারপাশে স্ত্রীরা ঘুরে বেড়ান।