পরকীয়ায় বাধা ২ বছরের শিশু, শ্বাসরোধ করে খুন গ্রেপ্তার ২

21

ওয়েব ডেস্ক, ১৭ সেপ্টেম্বরঃ ভালোবাসায় যদি কেউ বাধা হয়ে দাঁড়ায় তাহলো কি আর ভাল লাগে। তাই যেই বাধাই হয়ে দাঁড়াক না কেন তাকে দেখলে যেন গা খিজ খিজ করে মনের ভিতরে জ্বলন হয়। তাই সে বাবা-মা হোক বা দাদা-ভাই হোক, না হয় স্বামী-স্ত্রী বা ছেলে মেয়ে। তাতে কিন্তু একটা বিরক্ত হয়ে ওঠে সব কিছু। এমনি এক ঘটনা ঘটে ঘটনাটি ঘটেছে, জীবনতলা থানার পিয়ালী বটতলা গ্রামে।

নিজেদের পরকীয়ায় প্রধান বাধা হয়ে ওঠে দুই বছরের এক কন্যা শিশু। আর সেই বাধা বা পথের কাঁটা সরাতে শ্বাসরোধ করে খুন করলো মা। মৃতা ওই শিশু কন্যার নাম মহিনী হালদার (২)।

জানা গেছে, জীবনতলা পিয়ালীর বাসিন্দা রত্না হালদারের দেখাশোনা করে বিয়ে হয় আন্দামানের বাসিন্দা ভক্ত হালদারের সাথে। তাদের এই সাত বছরের বিবাহ জীবনে দুটি সন্তানও রয়েছে। একটি পুত্র ও একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। এরপর তাদের বিবাহ জীবনে নেমে আসে অন্ধকার। তাদের মধ্যে ফাটল ধরতে শুরু করে। আর সেখান থেকে পালিয়ে বাপের বাড়ি চলে যায় রত্না।

বাবার বাড়িতে থাকতে থাকতে মেন্দিপুরের বাসিন্দা বাপন ভৌমিক নামে এক ছেলের প্রেমে পড়ে যায় রত্না হলদার। কয়েক মাস প্রেম চলার পর বাপন রত্নাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় এবং তাতে রাজি হয়ে যায় রত্না। বাপন কথা মতো একটি কন্যা সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে পিয়ালীতে বাপন ভাড়া বাড়ি চলে যায় রত্না। আর সেই প্রথম পক্ষের কন্যা সন্তানকে নিতে অস্বিকার করে প্রেমিক। আর সেই প্রথম পক্ষের সন্তান তাদের সম্পর্কের মাঝে কাঁটা হয়ে দাঁড়ায়।

আর সেই পথের কাঁটা সরাতে শ্বাসরোধ করে খুন করে রত্না। পরে ওই মৃত শিশুটির দেহ উদ্ধার করে নিয়ে আশে ঘুটিয়ারী গ্রামীণ হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্যে নিয়ে যায় জীবনতলা থানার পুলিশ। প্রেমিক বাপন ও রত্নাকে আটক করে ঘুটিয়ারী ফাঁড়ির পুলিশ। ওই ঘটনায় উত্তেজিত জনতা বাপনের বাড়ি ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ।