ঢাকে কাটি ফেলতে প্রস্তুত শিল্পীরা, জটেশ্বরে চলছে ঢাকের মহড়া

41

নিজস্ব প্রতিনিধি, আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ার জেলার সব থেকে বড় ঢাকি পাড়া জটেশ্বরে। ঢাকি পাড়ায় ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে। তবুও পুজো মন্ডপ গুলোতে ঢাকের তাল তোলার জন্য মন আনচান করছে ঢাকিপাড়ার। কিন্তু বাজারে ঢাকের বোলতোলা ক্যাসেডের রেকর্ডিং চলে এসেছে বাজারে।

ফলে সব দিক থেকে বিপন্ন হয়ে পড়ছে উত্তরের ঢাকিরা তবুও শরতের আকাশ, হালকা মেঘের আনা গোনা, কাশফুলের ঝলকানি জানান দেয় শারদীয়ার আগমনী বার্তা। দেবী দূর্গতিনাশিনীর আবাহনকে ঘিরে তাই এখন ঢাকি পাড়ায় ব্যস্ততা চরমে। কথায় আছে “ঢাকের তালে কোমর দোলে খুশিতে নাচে মন” দুই কাঠির এই বাজনার সুরে পূজার চারটা দিন মেতে উঠবে আনন্দে। তাই এখন ব্যস্ততা তুঙ্গে।

আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটা ব্লকের জটেশ্বর হাজরা পাড়ার ঢাকিরা। দুই কাঠির বাজানা তাই এখন চলছে ঝাড়াই মোছাই করে সংস্কারের কাজ। এই পাড়ার ঢাকিরা শুধু মাত্র আলিপুরদুয়ার জেলার মধ্যেই সীমাবন্ধ থাকে না। তারা পূজার সময় আশে পাশের জেলার পাশাপাশি ভিন রাজ্যেও পাড়ি দেয়। তাই এখন বেজায় ব্যাস্ত ঢাকি শিল্পীরা। জানা গিয়েছে, এই পাড়ায় প্রায় ২৮ থেকে ৩০ জন ঢাকি পরিবার বসবাস করেন।

ঢাকি শিল্পী পাপন হাজরা জানান,” পূজার আসার প্রায় দুই মাস আগের থেকে আমরা প্রস্তুতি নেই। এলাকার সকলে মিলে প্রস্তুতি নেই। ঢাকিরা ঠিক মত প্রাপ্য টুকুও পান না সেটাও যেমন জানান তিনি পাশাপাশি অনলাইনের যুগে ঢাকের মিউজিক কেও ঢাকি দের চাহিদা তাও অনেক তাই কমেছে বলে জানান তিনি। কিছু পূজা কমিটি আছেন যারা বায়না করে নিয়ে যায় তবে সঠিক অর্থ দেয় না বাকি থেকে যায়। সরকারি কোন প্রকার সুযোগ সুবিধা পাইনি আজ পর্যন্ত আমরা।” পুজোর চারটে দিন পূজা মন্ডপে দর্শকদের মন জয় করতে এখন থেকেই নিজের ঢাক সাজাতে ব্যস্ত ঢাকি পাড়া।