করোণা বিধি নিষেধাজ্ঞা জারি করার ফলে নাভিশ্বাস ফুল ব্যবসায়ীদের

30

কমল মজুমদার, মুর্শিদাবাদঃ গত ১৬ তারিখ রাজ্য সরকারের তরফ থেকে করোণা বিধি নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। যার ফলে বিপদের মুখে পড়েছে ফুল ব্যবসায়ীরা। করোণা বিধি নিষেধাজ্ঞা জারি করার ফলে নাভিশ্বাস ফুল ব্যবসায়ীদের। কারণ ঈদের পরে শুরু হয়ে যায় বিয়ের মৌরসুম। ফুল ব্যবসায়ীরা গোটা বছর তাকিয়ে থাকে বিয়ের মৌরসুমের জন্য। অনেক ব্যবসায়ী আছে যারা বিয়ে বাড়ির লোকের কাছ থেকে মোটা অংকের  অগ্রিম টাকা স্বরূপ নিয়েছে। আর সেই অগ্রিমের টাকা মহাজনদের কে দেওয়া হয়েছে ফুল কেনার জন্য। কিন্তু রাজ্য সরকার কড়া বিধি-নিষেধ জারি করার ফলে মাথায় হাত পড়েছে সাধারণ ছোট-বড় ফুল ব্যবসায়ীদের। কারণ বিয়ে বাড়ির লোকের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়েও তারা সেই কাজ করতে পারছেন না। ফিরিয়ে দিতে হচ্ছে অগ্রীম বাবদ টাকা। পাশাপাশি যে ফুল মহাজনদের কাছে তারা কিনেছে সে ফুল নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে দোকানে।যাওয়ার পরে লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি হচ্ছে।

পাশাপাশি ফুলের দোকানের কর্মচারি কুশ নন্দি জানান, ফুলের দোকানে কাজ না থাকার কারণে মালিক বেতন দিতে পারছে না। পাশাপাশি আমাদেরকে প্রায় 50 কিলোমিটার দূর বহরমপুর থেকে কাঁচামাল নিয়ে আসতে হয়। পুলিশের সম্মুখীন হতে হয় অনেক সময় লুকিয়ে-চুরিয়ে এই ফুল নিয়ে আসতে হয়।তিনি প্রশ্ন ছুড়ে দেন, 5 কেজি চালে কি সংসার চলে?তার উপর ছেলে-মেয়ের পড়াশোনার খরচ।বিয়ে বাড়ির কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়ে সেই টাকা মহাজনদের কে দেওয়া হয়েছিল ফুল কেনার জন্য।কিন্তু ফোন বিজি নিষেধাজ্ঞা জারি করার ফলে বিয়ে বাড়ির লোকজন সেই অগ্রিম টাকা ফেরত চাইছে।যার ফলে আমাদের প্রায় প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ হাজার টাকার লোকসান বহন করতে হচ্ছে।

অন্যদিকে দোকানে মালিক জামালউদ্দিন মন্ডল জানান, গত বছর এই সময়ে পূর্ণ লকডাউন ছিল যার ফলে ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে আমাদের এবছর কিছুটা ছার থাকলেও সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। সেই সময়সীমাই ঠিকমতো কাজ হচ্ছে না।বিয়ে বাড়ি থেকে যে অগ্রিম টাকা নেওয়া হয়েছিল সেই অগ্রিম টাকা ফেরত দিতে হচ্ছে এবং বিয়ে বাড়ির কারণের জন্য যে কাঁচামাল স্টক করা হয়েছিল সেই মাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।তাদের আবেদন রাজ্য সরকারযেন কিছু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়।