রাত পোহালেই লক্ষ্মীর আরাধনা, ব্যস্ততা তুঙ্গে কুমোর পাড়ায়

119

মুক্তাঙ্কন বর্মণ,১২অক্টোবরঃ শনিবার শেষ মুহূর্তে তুলির টান চলল কুমোরপাড়ায়, মৃৎ শিল্পীদের চূড়ান্ত ব্যস্ততায় ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছে ধনদেবী লক্ষ্মী। তাই মৃৎ শিল্পীদের এদিনের ব্যস্ততা তুঙ্গে। রবিবার প্রায় বাড়িতেই পূজিত হবেন ধনদেবী। তাই কোচবিহার শহরের কুমোরপাড়ায় এক অন্য উন্মাদনা।

কথায় আছে, বাঙ্গালির বারো মাসে, তেরো পার্বণ তাই তো মা দুর্গার বিসর্জনের কিছুদিনের মধ্যেই পূজিত হবেন মা লক্ষ্মী। তিথি মেনে আগামীকাল হতে চলেছে এই লক্ষ্মীপূজা। তাই মানুষেরা এখন পা বাড়িয়েছে কুমোর পাড়া গুলির দিকে প্রতিমা ক্রয়ের জন্য। পাশাপাশি কোচবিহার বাজারেরও ধুম লেগেছে প্রতিমা কেনার।

দেবিপক্ষের পঞ্চমী থেকে ষষ্ঠীর মধ্যে তৈরি করা দুর্গা প্রতিমা গুলি মণ্ডপে মণ্ডপে পৌঁছানোর পরই শুরু হয়ে লক্ষ্মী প্রতিমা গড়ার কাজ। হাতে সময় কম, তাই মৃৎ শিল্পীরা চান চট জলদি তাঁদের নির্মাণ শিল্প গুছিয়ে ফেলতে। এই মূর্তি গড়ার ক্ষেত্রেও রয়েছে এক অন্য ভাবনা। মূলত লক্ষ্মী প্রতিমা গড়ার ক্ষেত্রে দুই ধরনের শিল্প ধরা পরে কুমোরদের হাতে। ঘটে,পটে ও মূর্তিতে পূজিত হয় ধনদেবী।

প্রায় প্রস্তুত লক্ষ্মী প্রতিমা

গৃহস্থের সুখ ও সমৃদ্ধি কামনায় কোজাগরী লক্ষ্মী পূর্ণিমায় বিশেষ ভাবে পূজিত হন দেবী। তাই এই দেবীর আরাধনায় মৃৎ শিল্পীদের প্রতিমা নির্মাণের চাহিদা অনেক বেশী থাকে। এবারও বিভিন্ন দামের রকমারি প্রতিমা তৈরি হয়েছে। দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধির সাথে প্রতিমা তৈরির খরচও বেড়েছে  বলে জানান মৃৎ শিল্পী রবি পাল।