চন্দন গাছ চুরির চেষ্টা,চাঞ্চল্য শান্তিনিকেতনে

90

শান্তিনিকেতন ১০ অক্টোবরঃ বিশ্বভারতীতে চন্দন গাছ চুরির চেষ্টা,চাঞ্চল্য শান্তিনিকেতনে। উপাচার্যের বাড়ির পাশেই রয়েছে বেশ কিছু চন্দন গাছ। বহু মুল্যের এই দামী গাছ বারবার চুরির চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এর পেছনে কি রহস্য রয়েছে তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।  কবি গুরুর নোবেল চুরি হয়েছিল ঠিকই কিন্তু চোরেরা ধরা পরেনি। ঠিক একইভাবে বিশ্বভারতীতে একাধিকবার চন্দন গাছ চুরি হলেও চোরেরা ধরা পড়ছে না। কিন্তু কেনো? একদিকে যেমন ২০ সেপ্টেম্বর শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী ক্যাম্পাসের মধ্যে থেকে দু’দুটি চন্দন গাছ চুরি করে পালানোর চেষ্টা করছিল চোরেরা।কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীরা একটি গাছ উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও চোরের দলকে এখনো ধরতে পারা যায় নি। কিন্তু বৃহস্পতিবার আরো একবার উপাচার্যের বাড়ির পাশে থেকে চন্দন গাছ চুরির চেষ্টা করছে চোরেরা বলে জানা গেছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে,এত হাই সিকিউরিটি জোনের মধ্যে থেকে কী করে একাধিকবার এই কাণ্ড ঘটাচ্ছে চোরেরা? কেনো ধরা পড়ছে না চোরের দল? তাহলে এর পিছনে রহস্যটা কী?

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বাড়ির পাশেই রয়েছে চন্দন গাছ।  সেখান থেকেই চোরেরা কেটে নিলো একটি চন্দন গাছ। চোরেরা ওই গাছ কাটার সময় যদিও বিশ্বভারতী নিরাপত্তা কর্মীরা বুঝতে পেরে যায় ও তারা চোরেদের ধাওয়া করলে চন্দন গাছ ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতিরা। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ পুরো ঘটনায় অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে। সেই তদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পরেই এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানান হয়েছে। 

বিশ্বভারতীর নিরাপত্তা যাতে মজবুত হয় সেইজন্য কেন্দ্রীয় সরকার নিরাপত্তার খাতে কোটি কোটি টাকা খরচ করে। কিন্তু সেখানে কি ভাবে এই কড়া নিরাপত্তা জোনের মধ্য দিয়েও চন্দন গাছ চুরি হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় এ নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে বিশ্ববিদ্যালয়  ক্রতি পক্ষ ।