সিএএ-র বিরোধিতায় দল ছাড়লেন বিজেপি নেতা

2302

ওয়েব ডেস্ক, ৯ ফেব্রুয়ারিঃ সিএএ বিরোধিতায় দল ছাড়লেন বিজেপি কাউন্সিলর।সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনে একটা সম্প্রদায়ের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে, এই অভিযোগেই বিজেপি ছাড়লেন ইন্দোরের নেতা উস্মান প্যাটেল।দল ছেড়েই বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে উস্মান বলেছেন, ঘৃণার রাজনীতি করছে বিজেপি।উস্মানের এহেন পদক্ষেপে গেরুয়া শিবিরে অস্বস্তি বাড়ল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

তিনি আরও বলেন, দেশের জিডিপি ক্রমেই নিম্নগামী। জিনিসপত্রের দাম হু হু করে বাড়ছে। স্বাস্থ্য ও শিক্ষার বেহাল দশা। কিন্তু এসবের মধ্যেও ঘৃণার রাজনীতি করে চলেছে বিজেপি। তারা এমন এক আইনের পেছনে পড়ে রয়েছে, যাতে সমস্ত ধর্মের মানুষের মধ্যে বৈষম্য তৈরি হচ্ছে।

ইন্দোরের খজরানা এলাকার ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর উসমান পদত্যাগ ঘোষণার পরে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে তিনি বলেন, “আমি অটলবিহারী বাজপেয়ীর অনুপ্রেরণায় এই দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলাম। কিন্তু এখন আমি বিজেপির কাজে নিরাশ। কারণ তাদের আনা আইনে দেশে বিভাজন তৈরি হচ্ছে।এনপিআর, এনআরসি, সিএএ মুসলিম-বিরোধী, সংবিধান-বিরোধী।এই কারণে আমি দল থেকে ইস্তফা দিচ্ছি।যাঁরা এই আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছেন, আমি তাঁদের সঙ্গে আছি।

নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় উসমান প্যাটেলই প্রথম বিজেপি নেতা নন, গতমাসে নিজেদের সদস্যপদ ছেড়েছেন প্রায় ৮০ জন বিজেপি নেতা, নাগরিকত্ব আইকে একটি “বিভাজনমূলক”পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন তাঁরা। রাজ্যের আরেক বিজেপি নেতা অজিত বোরাসি, যাঁর বাবা প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ, তিনি বলেন, “এনআরসি এবং সিএএ শুধুমাত্র মুসলিমদের ওপরেই প্রভাব ফেলবে না, তপশিলি জাতি, উপজাতি , অনগ্রসর শ্রেণীর মানুষের ওপরেও প্রভাব ফেলবে’’।

নাগরিকত্ব আইন নিয়ে খড়গহস্ত বিরোধীরা, এই আইনের বিরুদ্ধে শাহিনবাগে চলছে বিক্ষোভ, যা ইতিমধ্যেই নাগরিত্ব আইনের প্রতিবাদের মুখ হয়ে উঠেছে।এর আগে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে “জঙ্গি” বলে মন্তব্য করেছিল বিজেপি, বৃহস্পতিবার  কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে “শাহিনবাগে বিরিয়ানি সরবরাহ” করার অভিযোগ তোলে বিজেপি।