বিশ্বভারতীতে এসএফআই-র বিক্ষোভের মুখে পড়লেন বিজেপি সাংসদ

83

ওয়েব ডেস্ক, ৯ জানুয়ারিঃ সিএএ নিয়ে আলোচনাসভায় যোগ দিতে ধর্মঘটের দিন বিশ্বভারতীতে গিয়ে এসএফআইয়ের প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়লেন বিজেপি সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত। এদিন তাঁকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান ছাত্রছাত্রীরা। দেখানো হয় কালো পতাকা। এমনকী তাঁকে লক্ষ্য করে ইঁট ছোড়ার অভিযোগও উঠেছে।

বুধবার বিশ্বভারতীতে ‘দ্য সিএএ ২০১৯, আন্ডারস্ট্যান্ডিং অ্যান্ড ইন্টারপ্রিটেশন’শীর্ষক আলোচনাসভায় যোগ দিতে বিশ্বভারতীতে যান স্বপনবাবু। লিপিকা সভাগারে হওয়ার কথা ছিল সভাটি। আগে থেকেই এই আলোচনাসভা ভণ্ডুল করতে কোমর বাঁধছিল এসএফআই। স্বপনবাবু পৌঁছতেই এদিন প্রবল বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে সংগঠনটির সমর্থকরা। প্রাথমিক বাধা পেরিয়ে সভাকক্ষে ঢুকলে তার বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন পড়ুয়ারা। সভা শেষেও দীর্ঘক্ষণ সভাকক্ষে আটকে থাকেন তিনি।

এ বিষয়ে টুইট করে  স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, “সিএএ-র বিষয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের আহ্বানেই এখানে একটি বক্তৃতা দেওয়ার কথা ছিল। অনুষ্ঠানটিতে অংশ নেওয়ার অপরাধে শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতীর একটি ঘরের মধ্যে প্রায় ৭০ জন লোককে বন্দী করে রাখা হল। বন্দী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যও। একটি ঝামেলা যাতে তৈরি করা যায় তাঁর সবরকম চেষ্টা চালাচ্ছে অশান্ত শিক্ষার্থীরা।”

এসএফআইয়ের দাবি, ওই আলোচনা সভা বয়কট করেছে তারা। বিশ্বভারতীর মতো কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শাসকদলের রাজ্যসভার সাংসদকে ঘিরে এমন বিক্ষোভ নজিরবিহীন। প্রশ্ন উঠছে, মুক্তধারা পন্থী বামপন্থীরা কেন এক্ষেত্রে একটি পক্ষের কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চাইছে? কেন আলোচনায় আপত্তি তাদের?

সিএএ নিয়ে যেভাবে অশান্ত হচ্ছে রাজ্য, সেই প্রেক্ষিতে বিজেপির রাজ্য পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান। সেই মর্মে বুধবারই রাজ্যের ডিজি বীরেন্দ্রর সঙ্গেও কথা বলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়।