বোলপুরে একাধিক জলাশয়ে সূর্যামন্ত্রনে ব্রতী পুন্যার্থীরা, আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা

27

বোলপুর, ২ নভেম্বরঃ পুজোর রেশ মানুষের পিছুই ছাড়ছে না। দূর্গাপূজা হলো তারপর কালীপুজোর রেশ কাটতে না কাটতেই আজ অর্থাৎ শনিবার সারা দেশের সাথে সাথে বীরভূম জেলার বোলপুরেও একাধিক ঘাটে মহা সাড়ম্বরে পালিত হলো ছটপুজো। বেশ কিছুদিন আগে থেকেই ছটপুজো উপলক্ষে বোলপুরে বিভিন্ন পুকুর ঘাট ও কোপাই নদীর দু’ধার পরিস্কারের কাজ চলছিল জোরকদমে।

তারপরেই পুজো উদ্যোক্তারা ঘাট গুলিকে ফুল, কলাগাছ, দিয়ে সুন্দর ভাবে সাজিয়ে তুলেছে। ঘাটগুলিকে সাজানোর পাশাপাশি টুনি লাইটের চেইন ও লাইটের বোর্ড দিয়ে গেট করে সাজিয়ে তুলেছে পুকুরঘাট ও নদীতে পৌঁছানোর জন্য রাস্তা গুলিকেও। পুজো দেওয়ার জন্য আগে থেকেই পুজো উদ্যোক্তারা বাঁশ দিয়ে নির্ধারিত জায়গা ঘেরাও করছিলেন।

এক পুজো উদ্যোক্তা জানান, “আগে থেকে জায়গা দখল করে না রাখলে শেষ মুহূর্তে ঘাটে জায়গা পাওয়া যায় না। ফলে আমরা আগে থেকেই জায়গা দখল করে নিয়েছিলাম যাতে কারোও অসুবিধা না হয়।”

বোলপুরের কুমোরপুকুর, কালিপুকুর, শুড়িপুকুর, সুরুল ইত্যাদি পুকুর ঘাটগুলির পাশাপাশি কোপাই নদীতেও ছটপুজো উপলক্ষে ভক্তদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতোন। ঘাট গুলিতে যাতে কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেইজন্য বীরভূম জেলা পুলিশ প্রশাসন প্রত্যকটি ঘাট নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলেছিলেন। শনিবার বিকেলের অস্তমিত সূর্যকে সাক্ষী রেখেই শুরু হয় ছটপুজো। শেষ হবে রবিবার সূর্য উদয়ের সাথে সাথে।

এক ব্যক্তি জানান, “ছট পূজা মানে ষষ্টি ও সূর্যের এক সাথে আরাধ্য যাকে বলা হয় ছট্টী মাইয়া। কালী পুজার আমাবস্যার পরে ষষ্টি পূজা করে হিন্দী ভাষী মানুষেরা। কিন্তু এখন এই পূজায় হিন্দী ভাষী মানুষদের সাথে তাল মিলিয়ে সব জাতীর মানুষ পূজা করে থাকে নিষ্ঠা ও ভক্তি সহকারে।”