নারদ মামলায় আজ মুকুল রায়কে তলব সিবিআইয়ের

22

ওয়েব ডেস্ক, ২৭ সেপ্টেম্বরঃ  নারদ কেলেঙ্কারিতে বিজেপি নেতা মুকুল রায়কে তলব করল সিবিআই, আজ হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। জানা গিয়েছে,  শুক্রবার সকাল ১১টায় এই নব্য বিজেপি নেতাকে নিজাম প্যালেসে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও পক্ষ এখনও পর্যন্ত এই নিয়ে মুখ খোলেননি। ২০১৭-এ বিজেপিতে যোগদান করেন তৃণমূলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মুকুল রায়। ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনের সময় সুবিধা দেওয়ার পরিবর্তে একটি বেনামি সংস্থার প্রতিনিধির থেকে টাকা নিতে দেখা যায় তৃণমূল নেতাদের একাংশকে।  নারদ নিউজের তরফে স্টিং অপারেশনটি করেন ম্যাথু স্যামুয়েলস ।  

তিন বছর পর নারদা-কান্ডে সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। গ্রেফতার করা হল আইপিএস এসএমএইচ মির্জাকে। বৃহস্পতিবার দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করার পর মির্জাকে নিজেদের হেফাজতে নেয় সিবিআই। নারদা-কান্ডে তিনিই প্রথম ধৃত পুলিশ কর্তা। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মির্জাকে নিজেদের হেফাজতে পেয়েছে সিবিআই। নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার পরেই দফায় দফায় মির্জাকে জেরা শুরু করেছে সিবিআই। জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে বহু প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়েছেন মির্জা। এমনকি তদন্তেও সহযোগিতা করছেন না তিনি।

সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, নারদা তদন্তের একেবারে গভীরে পৌঁছতে মুকুল রায়কেও জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। আর সেক্ষেত্রে প্রয়োজনে মুকুল রায় এবং মির্জাকে মুখোমুখি বসিয়েও সিবিআই জেরা করতে পারে বলে সূত্রে জানা গিয়েছে।

প্রসঙ্গত, নারদ স্টিং অপারেশনের ভিডিয়ো ফুটেজে পুলিশকর্তা মির্জাকে ছদ্মবেশী সাংবাদিক ম্যাথু স্যামুয়েলের থেকে ঘুষ নিতে দেখা গিয়েছিল বলে অভিযোগ। ২০১৪ সালে তখন বর্ধমানের পুলিশ সুপার ছিলেন মির্জা। কেন ও কার নির্দেশে তিনি ওই টাকা নিয়েছিলেন, এই বিষয়েই আইপিএস-কে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। পাশাপাশি তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। ঘটনা ২০১৪-র হলেও ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রকাশ্যে আসে স্টিং অপারেশনের ফুটেজ। তাতে রাজ্যের নেতা, মন্ত্রী, সাংসদদের টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।