সরকারি কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির সুখবর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী !

37

ওয়েব ডেস্ক, ১৪ সেপ্টেম্বরঃ সুখবর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার নেতাজি ইনডোরে তৃণমূল প্রভাবিত সরকারি কর্মী সংগঠনের সভায় ষষ্ঠ বেতন কমিশন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷

নেতাজি ইন্ডোরে সরকারি কর্মীদের সম্মেলেন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, সরকারি কর্মীদের ন্যূনতম মূল বেতন ১৭ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। গ্র্যাচুইটির ঊর্ধ্বসীমা বাড়িয়ে দশ লক্ষ টাকা করার কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও বাড়ি ভাড়ার ভাতা-সহ যা যা সুবিধা বৃ্দ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে ষষ্ঠ বেতন কমিশনের প্রথম পর্যায়ের রিপোর্টে, তার সবই মেনে নেওয়া হবে। ডিএ এবং পে কমিশন মিশে যাচ্ছে বলেও এ দিন জানিয়েছেন  মুখ্যমন্ত্রীর। যার ফলে আর্থিক দিক দিয়ে আরও লাভবান হবে সরকারি কর্মীরা। উদাহরণস্বরূপ মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, ‘১০০ টাকা বেসিক পে থাকলে ১২৫ টাকা বেতন হত। ডিএ এবং পে কমিশন মিশে গেলে সেটাই ২৫৭ টাকায় গিয়ে দাঁড়াবে।’

সভায় মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, স্টেট পে কমিশন রিপোর্ট সাবমিট করলে ডিএ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে৷  ৬ষ্ঠ পে কমিশনের প্রথম পর্যায়ের রিপোর্ট পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ রিপোর্ট দেখে মুখ্যমন্ত্রী জানান যা যা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে তা মেনে নেওয়া হবে ৷ পে কমিশনের রিপোর্ট পেলেই পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের৷

বেসিকে ২.৫৭ গুণ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে৷ ন্যূনতম বেসিক হবে ১৭৯৯০ টাকার৷২৩ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই বিষয়ে আলোচনা করা হবে ৷ পয়লা জানুয়ারি থেকে নতুন পে কমিশন কার্যকর করার চেষ্টা করা হবে৷

মুখ্যমন্ত্রী জানান, ১ জানুয়ারি, ২০০৬ অনুযায়ী কারও মূল বেতন ৭ হাজার টাকা হলে তা বেড়ে হবে ১৭,৯৯০ টাকা। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর ক্যাবিনেট বৈঠক রয়েছে। সম্ভবত সেই বৈঠকে বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুমোদন করানোর পরেই সরকারি ঘোষণা হবে। তখনই জানা যাবে, কী হারে ডিএ বাড়তে চলেছে রাজ্য সরকারি কর্মীদের। এ ছাড়াও আদালতে এই সংক্রান্ত এই মামলা চলার কারণে এ দিন ডিএ নিয়ে নির্দিষ্ট কোনও ঘোষণা করেননি মুখ্যমন্ত্রী। যত শীঘ্র সম্ভব এই সুপারিশ কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ১ জানুয়ারি থেকে সুপারিশ কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, নতুন এই সুপারিশ মানতে গেলে বছরে প্রায় দশ হাজার কোটি টাকা খরচ বাড়বে রাজ্য সরকারের। কিন্তু কর্মীরা নিজেদের মেধা দিয়ে কাজ করে তা পুষিয়ে দেবেন বলে আশাবাদী মমতা।