এনআরসি ও ক্যা-এর বিরোধিতায় উত্তরবঙ্গে তিন দিনের সফর মুখ্যমন্ত্রীর, টার্গেট আদিবাসী,কামতাপুরী, রাজবংশী ভোটব্যাংক !

655

ওয়েব ডেস্ক, ২৫ ডিসেম্বরঃ এনআরসি ও ক্যা-এর বিরোধিতায় রাস্তায় নেমে আন্দোলন করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতিবাদকে গণ আন্দোলনের রূপ দিয়েছেন তিনি। সেই লক্ষ্যেই এবার এনআরসি ও ক্যা-এর বিরোধিতা উত্তরবঙ্গে মিছিলেন ডাক দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বছরের শেষ তিন দিন ২৯ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে মিছিল করবেন তিনি৷

এনআরসি-সিএএ’র বিরোধিতায় দক্ষিণবঙ্গের পর এবার উত্তরবঙ্গকে টার্গেট করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। উত্তরবঙ্গে অনেক উদ্বাস্তু রয়েছেন। রয়েছেন রাজবংশী, কামতাপুরী সম্প্রদায়ের মানুষজন। আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই মানুষগুলোর মন জয় করাটা এটাই মোক্ষম সুযোগ তৃণমূলের কাছে৷

মঙ্গলবার ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতায় পদযাত্রা করেন এনআরসি ও সিএএ-র প্রতিবাদে। সিমলা স্ট্রিটে বিবেকানন্দের বাড়ির সামনে থেকে পদযাত্রা করেন বেলেঘাটা গান্ধী ভবন পর্যন্ত। আর এই সভাস্থল থেকে তিনি জানান, এবার শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতেও পদযাত্রা করবেন তিনি। বছরের শেষ তিনদিন তিনি উত্তরবঙ্গে মিছিলে অংশ নেবেন।

প্রসঙ্গত, গতকাল জেপি নাড্ডার নেতৃত্বে কলকাতায় অভিনন্দন যাত্রার পর, এদিন এনআরসি-সিএএ’র সমর্থনে শিলিগুড়িতে মিছিল করেছে বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতেই উত্তরবঙ্গে মিছিলের ডাক দিলেন তৃণমূল নেত্রী। এদিন বেলেঘাটার সভায় তৃণমূল নেত্রীর কথাতেই মেলে তার ইঙ্গিত মিলেছে।

মমতা বলেন, “অনেক উদ্বাস্তু অনেক জায়গায় আছে। আমরা সবাইকে চিহ্নিত করেছি। উদ্বাস্তু কলোনিকে চিহ্নিত করে দিয়েছি। বড় মাকেকে দেখেছে গত ৩০ বছর ? সবাই নাগরিক এখানে। কামতাপুরী, রাজবংশী সবাই নাগরিক। রাজস্থান, বিহারের হলেও সবাই নাগরিক।”

এদিন জেপি নাড্ডাকে আক্রমণ করে মমতা বলেন, “বাবুরা হাঁটতে পারে না। আমার সাথে হাঁটো দেখি, কার কত ক্ষমতা ? মমতা ব্যানার্জি ১০০০ বার মিছিল করবে।”