এনআরসি নিয়ে তৃণমূলের সঙ্গে যৌথ আন্দোলনে যেতে চায় কংগ্রেসও

258

কলকাতা, ৩১ ডিসেম্বরঃ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে এবার তৃণমূলের সঙ্গে যৌথ আন্দোলনে যেতে চায় কংগ্রেসও। সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে যৌথ আন্দোলনে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন আব্দুল মান্নান। চিঠিতে মান্নান জানিয়েছেন, একসঙ্গে পথে নেমে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন এবং এনআরসি বিরোধী আন্দোলন করতে চায়। কংগ্রেসের পাশাপাশি সিএএ নিয়ে এবার সর্বদল বৈঠকের আর্জি জানালেন বাম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তীও।

জানা গিয়েছে, বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নানের প্রস্তাবে সায় দিয়েছে সুজন চক্রবর্তীও। বাবরি মসজিদ ধ্বংস পরবর্তী সময়ে শান্তি বজায় রাখতে একসঙ্গে পথে নেমেছিল বাম-কংগ্রেস।

এদিন সুজন চক্রবর্তী জানান, ১৯৫১ সালের নিয়ম অনুযায়ী  আধার কার্ড সংশোধন তালিকা  সালের পর থেকে ভোটার লিস্ট অনুযায়ী অনলাইনে হওয়া উচিত। সেটাই বাঞ্ছনীয় এবং উনি তো প্রথমেই এনবিআর এর কাজ শুরু করে দিয়েছিলেন। ২০০৩ এ অটল বিহারী বাজপেয়ির মন্ত্রিসভা সেই এনআরপি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল সেখানে তিনি সমর্থন করেছিল। আজকে আসছে তার মানে ডাল মে কুচ কালা হে। এই দ্বিচারিতা মনোভাব বাংলার মানুষ তার জবাব দেবে।  সুজন বাবু আরও বলেন, রাজ্যপাল আজ রাজভবনে রাজ্যপালের টুইট ঘিরে সারা রাজ্যে প্রতিবাদের ঝড় উঠে লর্ড কার্জন যে চেয়ারে বসে বঙ্গভঙ্গ সই করেছিলেন। সেই চেয়ারে বসা পশ্চিম বাংলার জনগণ হিসেবে তাদের লজ্জা। সেই প্রেক্ষিতে আজ রাজ্যপালকে কুলাঙ্গার ও ধিক্কার জানিয়েছে আব্দুল মান্নান বিরোধী দলনেতা ও সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী এছাড়া অন্যান্য নেতৃত্বরা।

মান্নানের দাবি, উদ্ভুত পরিস্থিতিতে সারাদেশকে বার্তা দিতে সেই যৌথ আন্দোলন হতে পারে। সেই প্রস্তাবই পাঠানো হয়েছে তৃণমূল নেত্রীর কাছে। যদিও তৃণমূলের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। অন্যদিকে, তৃণমূলের সঙ্গে পথে নেমে একসঙ্গে আন্দোলন রাজি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রও। আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়ার বিষয়টি তিনি সোমেন মিত্রকে জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, সম্মতি দিয়েছেন সোমেন মিত্রও।