আরও শক্তিশালি আঁকার নিচ্ছে করোনা বাতাসে ১০ মিটার পর্যন্ত ভাসতে পারে, নয়া গাইডলাইন কেন্দ্রের

194

ওয়েব ডেস্ক, ২০ মেঃ করোনা মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ এর মুখোমুখি সারা ভারত। কয়েকদিন স্বস্তি দিলেও আবার বাড়ছে দৈনিক সংক্রমণ। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু সংখ্যাও। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার মাস্ক, সামাজিক দূরত্ব, স্বাস্থ্যবিধি এবং ঘরের মধ্যে বায়ুচলাচল সংক্রান্ত নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সাধারণত ড্রপলেট ২ মিটারের বেশি বাতাসে ভাস্তে পারে না, তাই সকলের ওই দূরত্ব বজায় রাখা উচিত। কিন্তু কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা কে বিজয় রাঘবন জনিয়েছেন ছোট ছোট এরোসল বা জলকণা কিন্তু ১০ মিটার পর্যন্ত যেতে পারে, এবং এই মর্মে একটি নতুন গাইডলাইন প্রকাশ করেছ কেন্দ্র।
কেন্দ্রের নয়া গাইডলাইন অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি হাঁচি দিলে কিংবা কাশলে তাঁর মুখ থেকে নির্গত হওয়া ছোট ছোট জলকণা সর্বোচ্চ ১০ মিটার পর্যন্ত দূরে যেতে পারে। করোনা ভাইরাস ছড়ানোর ক্ষেত্রে সংক্রমিত ব্যক্তির হাঁচি-কাশি সবথেকে বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই এই বিষয়টির ক্ষেত্রে এবার থেকে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।

গাইডলাইনে আরও বলা হয়েছে, যে সমস্ত করোনা আক্রান্তদের মধ্যে কোনও রকম লক্ষণ নেই তারা মারাত্মক ভাবে সাধারণ মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। পাশাপাশি আরো বলা হয়েছে বদ্ধ ঘরে সংক্রমণ বেশি ছড়াতে পারে। সেই কারণে ঘরের দরজা-জানলা বন্ধ করে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র চালালে বিপদ বাড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীদের একাংশ। যদি কোনও সংক্রমিতের ড্রপলেট ঘরে প্রবেশ করে থাকে তবে তা ওই বদ্ধ ঘরেই আটকে পড়বে ও সেখান থেকে দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি অফিস বা বাড়িতে দরজা-জানলা খোলা রাখার প্রয়োজনীয়তার কথাও ওই গাইডলাইনে বলা হয়েছে। পাশাপাশি দরজার হাতল, সুইচ, চেয়ার, টেবিল ও মেঝে যে সব স্থানে ড্রপলেট পড়লে দীর্ঘক্ষণ থাকতে পারে, সেই সব স্থান বারবার পরিষ্কার করা উচিত বলেও জানানো হয়েছে ওই নির্দেশিকায়।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৭৬ হাজার ৭০ জন। বুধবারের তুলনায় আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার বেশি। বুধবার ২ লক্ষ ৬৭ হাজার ৩৩৪ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন। বৃহস্পতিবারের রিপোর্ট বলছে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৮৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।