করোনা রোগীর পাশে পুলিশের ওসি, মানবিক রূপে দেখা গেল দেবাশীষ রায় কে

98

কাজল রায়, মাথাভাঙ্গাঃ করোনার ঢেউ দিনের-পর-দিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। বসে নেই সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। সবাই মিলে করোনা মোকাবেলায় যুদ্ধক্ষেত্রে নেমেছেন। তবু যেন পিছু ছাড়ছে না করোনা আতঙ্ক। এখন চলছে লকডাউন। লকডাউন সফল করতে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশকে লাঠি হাতে দেখা গেছে। যদিও এটা তাদের কর্তব্য।কিন্তু কোথাও পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিপেটার অভিযোগ এখনো পর্যন্ত আসেনি। এই মাঝে অন্য রূপে দেখা গেল পুলিশের এক অফিসার ইনচার্জ কে।

এদিন ঘোকসাডাঙ্গা থানার ওসি দেবাশীষ রায করণায় আক্রান্ত রোগীর বাড়িতে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী তুলে দিয়ে আসেন ঘোকসাডাঙ্গা বিভিন্ন প্রান্তে। সঙ্গে ছিলেন অন্যান্য পুলিশকর্মীরা। শুধু আজকে নয় এর আগেও ঘোকসাডাঙ্গা থানার ওসি দেবাশীষ রায়ের ভূমিকা ছিল যখন একজন দক্ষ পুলিশ অফিসার। অপরদিকে বিভিন্ন সামাজিক কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং রয়েছেন দেবাশিস বাবু। করোনা আবহের লকডাউন এর সময় নিজেই হ্যান্ড বাইক হাতে নিয়ে করোনা মোকাবেলায় সচেতনতামূলক প্রচারে নেমেছেন। হেন একজন পুলিশ অফিসার যখন সামাজিক দায়িত্ব কর্তব্য পালনে ব্যস্ত হয়ে থাকেন তখন সকলেই অন্য নজরে দেখেন দেবাশিসবাবু কে।তার উদাহরণ আজ খোকসা ডাঙ্গা থানা এলাকার শিব মন্দির লাগোয়া বিভিন্ন স্থানে করোনাই আক্রান্ত রোগীদের বাড়িতে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন এবং পাশাপাশি এই করোনা কোন ভয়ঙ্কর বিষয় নয় কিছু সামাজিক নিয়ম-নীতি মেনে চললে করোনা থাবা বসাতে পারবে না এই রূপ সচেতনতা মূলক প্রচার তিনি করে যাচ্ছেন ধারাবাহিকভাবে। দেবাশিসবাবু

এই উদ্যোগকে প্রশংসা করেছেন ঘোকসাডাঙ্গা থানার বিভিন্ন মানুষ এবং প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা ।
মাথাভাঙ্গা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সুরজিৎ মন্ডল বলেন,আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকি ঘোকসাডাঙ্গা থানার ওসি দেবাশিস রায় তার অন্যতম এক উদাহরণ। এভাবে পুলিশের পক্ষ থেকে সবাই মিলে এগিয়ে আসলে পুলিশের উপর যে বিরূপ মনোভাব পোষণ করে এক শ্রেণীর মানুষ এই কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে পুলিশের প্রতি ভুল ধারণা ভেঙে যাবে। যদিও ঘোকসাডাঙ্গা ওসি দেবাশীষ রায় এ ব্যাপারে কোনো প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি।