ভয় পেলেও মেয়েকে কখনও আন্দোলন থেকে পিছিয়ে আসতে বলবে নাঃঐশীর বাবা

186

ওয়েব ডেস্ক, ৬ জানুয়ারিঃ জেএনইউ-এর ছাত্র সংসদের সভানেত্রী ঐশী ঘোষ আক্রান্ত এবিভিপি দুষ্কৃীতদের হাতে। সেই ছবি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তথা দেশ জুড়ে তোলপাড়। রাতেই আন্দোলনে নেমেছে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন। এমত অবস্থায় মেয়ের মাথা দিয়ে রক্ত ঝরছে দেখে চোখে মুখে আতঙ্কের ছাপ লেগে আছে ঐশীর বাবা মার। মেয়ের সেই ভিডিয়ো দেখে ঘাবড়ে গেলেও দমতে রাজি নন জেএনইউ সংসদের সভানেত্রী ঐশীর বাবা দেবাশিস ঘোষ। বরং দৃঢ় কণ্ঠে তিনি জানালেন, ভয় পেলেও মেয়েকে কখনও পিছিয়ে আসতে বলবেন না।

দেবাশিসবাবু আরও বলেন, ‘সারাদেশের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। আমরা ভীত। আমার মেয়ের উপর হামলা হয়েছে। কাল অন্য কারও মেয়ের উপর হামলা ও মারধর করা হবে। আমায়ও মারধর করা হতে পারে।’

হামলার পর থেকে মেয়ের সঙ্গে কথা হয়নি, কেমন আছে মেয়েটা তাও জানতে পারছে না, এখন কেমন আছে কিছুই জানা নেই দেবাশিস বাবুর। ঐশীর বন্ধু-বান্ধবদের মারফত খবর পাচ্ছেন। জানতে পেরেছেন, মেয়ের মাথায় পাঁচটি সেলাই পড়েছে।

ঐশীর বাবা দেবাশিসবাবু বলেন, ‘সরাসরি মেয়ের সঙ্গে কথা হয়নি। অন্যরা আমায় অশান্তির বিষয়ে বলেছেন। দীর্ঘদিন ধরেই শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলছে তার পরে দুষ্কৃতীরা আমার মেয়ের উপর আক্রমন করে। ওর মাথায় পাঁচটি সেলাই পড়েছে। আমরা চিন্তিত।’

তবে শুধু জেএনইউ নয়, বিশ্বের সর্বত্রই বাম আন্দোলন বাধার সম্মুখীন হয় বলে দাবি দেবাশিসবাবুর। তাঁর কথায়, ‘দেখুন, ঐশী বাম আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। সর্বত্র ও সবাই বাম আন্দোলন রোখার চেষ্টা করে।’

বাবার মতো মেয়ের শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন ঐশীর মা। সেজন্য অবশ্য মেয়েকে আন্দোলন থেকে সরে আসতে বলবেন না তিনি। তাঁর কথায়, ‘এই আন্দোলনে অনেক ছেলেমেয়ে রয়েছে। তাঁরা সবাই আহত। কেউ বেশি, কেউ কম। আমি ওকে কখনও প্রতিবাদ থেকে সরে আসতে বলব না।’ পাশাপাশি, উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিও তুলেছেন ঐশীর মা।