সুন্দরবন এ কোভিড বিধি মেনে, ত্রাণ শিবিরে রান্না করা খাবার বন্টন

23

শ‍্যাম বিশ্বাস, উওর ২৪ পরগনাঃ সুন্দরবন এ কোভিড বিধি মেনে,ত্রাণ শিবিরে রান্না করা খাবার বন্টন। সন্তান সম্ভবা ও গৃহবধূদের জন্য ত্রাণ শিবিরে আলাদা ব্যবস্থা। উত্তর 24 পরগনা সুন্দরবন লাগোয়া ছটি ব্লক মূলত হিঙ্গলগঞ্জ, সন্দেশখালি১, সন্দেশখালি ২, হাসনাবাদ, হাড়োয়া ও মিনাখাঁ ব্লক গুলোতে ইতিমধ্যে যশের আতঙ্কে ভুগছে নদী তীরবর্তী সুন্দরবনের বাসিন্দারা।

প্রশাসন ও পঞ্চায়েত বাড়ি থেকে তাদেরকে এনে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। ৬ টি ব্লকের ১৫ টি ত্রাণ শিবিরে, রাখা হয়েছে প্রায় ৫,০০০ হাজার দুর্গত মানুষকে, কোভিড নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে সামাজিক দূরত্ব মেনে, মাস্ক, স্যানিটাইজার, অন‍্যদিকে  অক্সিজেন সিলিন্ডার, অক্সিমিটার যেমন পর্যাপ্ত পরিমাণে রাখা হয়েছে তাদের সঙ্গে আছে স্বাস্থ্যকর্মীরা।

অন্যদিকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হলো সন্তান সম্ভবা গৃহবধূর যাদের  সন্তান প্রসবের তারিখ ২৬শে মে, বুধবার ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয় কেন্দ্রে তাদের জন্য আলাদাভাবে ব্যবস্থা করা হয়েছে ।এবং কোভিড বিধি মেনে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি যারা ঘরবাড়ি ছেড়ে ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে।  সেখানে জায়গা পেয়েছে  হাঁস, গরু, ছাগল, মুরগিসহ বিভিন্ন গৃহপালিত পশু। সেই ছবি দেখা গেল, বসিরহাট ইছামতির তীরে ইটিন্ডা আমিনিয়া মাদ্রাসা, প্রায় দেড় হাজার পরিবারের  মানুষকে সেখানে রাখা হয়েছে। একদিকে স্যানিটাইজার, মাস্ক অন্যদিকে রান্না করা খাবার পরিবেশন করছেন এই ব্লকের যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শরিফুল মন্ডল ও মাদ্রাসা কমিটির সম্পাদক মাসুদুর রহমান সহ পঞ্চায়েত সদস্য ও স্থানীয় নেতৃত্ব।

অন্যদিকে শিক্ষক নেতা তুষার মন্ডল উদ্যোগে হিঙ্গলগঞ্জ ব্লক এর কালীতলা প্রাইমারি স্কুলে দুর্গতদের এনে কোভিড বিধি মেনে রান্না করা খাবার খাওয়ানো হচ্ছে। তিনি জানান, ইতিমধ্যে আমরা গ্রামের মানুষকে এই শিক্ষাঙ্গন মাদ্রাসায় রেখেছি। তাদের সম্পূর্ণ খাবারের ব্যবস্থা করেছি পাশাপাশি যাতে কেউ আতঙ্কিত না হয় তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে। নদীর তীরবর্তী অঞ্চল থেকে এদেরকে আনা হয়েছে। সব মিলিয়ে যতদিন পর্যন্ত যশের ভ্রুকুটি থাকবে ততদিন দুর্গতদের আমরা রান্না করা খাবার থেকে শুরু করে কোভিড বিধি মেনে সব রকম ব্যবস্থা করব।