মার খেয়েছি দমে গিয়েছি, এমনটা ভাববেন না, হিন্দুত্ববাদীদের বিরুদ্ধে লড়াই চলবেই : ঐশী ঘোষ

1648

ওয়েব ডেস্ক, ৭ জানুয়ারিঃ লাঠি, রড, হাতুরির আঘাতে রক্তাক্ত হয়েছে দিল্লির জওহরলাল নেহেরু হাসপাতাল। ভাঙচুর চলেছে মহিলা হস্টেলে। ভেঙেছে প্রথিতযশা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্যর ইতিহাস।ছাত্র সংসদের অভিযোগ, এই হামলা চালিয়েছে এবিভিপি। মুখোশ পরা একদল দুষ্কৃতীর হামলায় অন্তত ৩৪ জন ছাত্র-ছাত্রী আহত হয়েছেন‌। পড়ুয়ারা ছাড়াও হামলা করা হয় অধ্যাপিকাদেরও।

গুরুতর আহত হন ছাত্র সংসদের সভানেত্রী ঐশী ঘোষ। মাথায় একাধিক সেলাই। হাতে ব্যান্ডেজ। সোমবার দুপুরের পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েই ঐশী ঘোষ বলেন, মার খেয়েছি দমে গিয়েছি, এমনটা ভাববেন না। বরং হিন্দুত্ববাদীদের বিরুদ্ধে লড়াই আরও জোরদার হবে।

দুর্গাপুরের মেয়ে ঐশী ঘোষ বলেন, খুন করার উদ্দেশ্য নিয়েই হামলা চালানো হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, গত কয়েক দিন ধরেই সঙ্ঘ পরিবারের অনুগত কিছু অধ্যাপক আমাদের আন্দোলন ভাঙার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। এদিন যে ঘটনা ঘটেছে তাতে স্পষ্ট যে, মুখোশ পরা গুন্ডাদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালিয়ের নিরাপত্তা কর্মীদের একটা বোঝাপড়া ছিল।

তাঁর দাবি, বহিরাগতদের ব্যাপারে পুলিশের কাছে খবর ছিল। তারা বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরেই ক্যাম্পাসে তান্ডব চালালো। ঐশী বলেন, রবিবার দুপুর থেকেই ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের ভিড় হতে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন পড়ুয়াকে সেসময় মারধরও করা হয়। আমার নিজের ফোন থেকে কিছু ছবি পাঠাই পুলিশকে। ক্যাম্পাসে রড, লাঠি নিয়ে যে বহিরাগতরা জড়ো হয়েছে, তা পুলিশকে জানালে বলা হয়, বহিরাগতরা নেই। তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ তারাই সন্ধ্যোয় হামলা চালায়। ঐশীর অভিযোগ, গুণ্ডা বাহিনীর তাণ্ডব রুখতে পুলিশ কোনও হস্তক্ষেপই নেইনি। জেএনইউয়ের উপাচার্য জগদেশ কুমারের বিরুদ্ধেও তোপ দেগে উপাচার্যের ইস্তফাও দাবি জানিয়েছেন ঐশী।