শ্বশুর ও শালাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাল প্রাক্তন জামাই

8

বিশ্বজিৎ মন্ডল, মালদাঃ পারিবারিক বিবাদকে কেন্দ্র করে শ্বশুর এবং শালাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর অভিযোগ প্রাক্তন জামাইয়ের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহ জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর থানার জালালপুর গ্রামে। ওই ঘটনার পর গুরুত্বর জখম অবস্থায় দুই জন মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি।  ঘটনার জেরে আক্রান্তের পরিবারের পক্ষ থেকে খুরসেদ আলম সহ সাত জনের বিরুদ্ধে হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ হয়েছে। তদন্তে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।

জানা গেছে, গত ২৪ বছর আগে তাজখিরা বিবির সঙ্গে খুরসেদ আলমের বিয়ে হয়। বর্তমানে তাদের  তিন সন্তান রয়েছে। তাজখিরার অভিযোগ বিয়ের পর থেকে খুরসেদ আলম তাকে বিভিন্ন কারণে মারধোর করত। অত্যাচার দিনদিন বাড়তে থাকায় গত তিন বছর আগে তাজখিরা খুরসেদকে তালাক দেয়। এরপর থেকে দুই পরিবারের মধ্যে একটা গোলমাল চলছিল। ইতিমধ্যে কেন্দ্র সরকারের আসামে এনআরসি চালু করা নিয়ে এ রাজ্যের লোকেদের মধ্যে আধার কার্ড ভোটার কার্ড সংশোধন করার একটা প্রবণতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে গ্রামে গঞ্জে। খুরসেদ আলম তাজখির বাড়িতে এসে হুমকি দিয়ে যায়। ছেলেদের পরিচয় পত্রে বাবা হিসেবে তার নাম যেন ব্যবহার না করা হয়। কারণ তাদের মধ্যে তালাক হয়ে গিয়েছে।

অভিযোগ, হুমকি দেওয়ার পর গতকাল রাতে তাজখিরার বাবা জামসেদ আলি (৬০) খুরসেদ আলমের বাড়িতে কথা বলতে যায় সেই সময় খুরসেদের বাবা ভাই সহ  ছয় সাত জন মিলে হাঁসুয়া সহ বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র দিয়ে জামসেদ আলিকে কোপাতে থাকে চিৎকার শুনে পাশের বাড়ি থেকে বাবাকে বাঁচাতে আসে তাজখিরার ভাই জাহাঙ্গীর আলম তাকেও কোপাতে থাকে খুরসেদরা। জাহাঙ্গীরের পেটকেটে ভুঁড়ি বাইরে বেড়িয়ে যায়। বাম হাত কেটে ঝুলতে থাকে। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এসে তাদের কে প্রথমে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে অবস্থা খারাপ থাকায় রাতেই তাদেরকে মালদা মেডিকেল কলেজে স্থানান্তরিত করে চিকিৎসক। খুরসেদ আলম সহ সাত জনের বিরুদ্ধে হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ হয়েছে। তদন্তে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।