অবশেষে কুয়ো মিস্ত্রির সাহায্যেই উদ্ধার হল বাঁশদ্রোণীর যুবকের দেহ

343

ওয়েব ডেস্ক, ২৮ ডিসেম্বরঃ টানা সাড়ে ১৭ ঘণ্টার চেষ্টার পর শনিবার সকালে উদ্ধার করা পাতকুয়োয় পড়ে যাওয়া বছর তিরিশের যুবক বাপি সরকারকে।শুক্রবার বাঁশদ্রোণীর সোনালি পার্ক এলাকায় ওই যুবককে কুয়ো থেকে বার করে আনতে দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা চালায় দমকল, কলকাতা পুলিশ ও তাদের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ডুবুরিরা।কিন্তু কুয়োর তলদেশ অত্যন্ত সঙ্কীর্ণ হওয়ায় অনেক ক্ষণের চেষ্টাতেও তাঁকে তুলে আনা যায়নি।এমনকি ওই যুবক রাত পর্যন্ত বেঁচে আছেন কি না, তা নিয়েও মন্তব্য করতে চায়নি পুলিশ।

রাত বাড়লে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী সকাল পর্যন্ত উদ্ধারকর্ম স্থগিত রাখার কথা জানালে জনতা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে।দমকলের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ পরিবারকে বোঝাতে ঘটনাস্থলে যেতে হয় খোদ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে। দমকলের তরফে জানানো হয়, শনিবার সকাল থেকেই ফের উদ্ধারকাজ শুরু হবে। তবে দমকল ময়দানে নামার আগেই শনিবার সকালে কুয়ো থেকে ওই যুবকের দেহ উদ্ধার করে নিয়ে আসেন স্থানীয় কুয়ো মিস্ত্রি মেঘনাথ সর্দার।বাপির দেহ উদ্ধার হতেই শোকের ছায়া নেমে আসে গোটা এলাকায়।

সম্রাটের আত্মীয়রা জানাচ্ছেন, তাঁর মৃগী রয়েছে। বাড়ির ভিতরে কুয়োটি গভীর হলেও পাড় নিচু। সম্ভবত স্নান করার সময়ে মৃগীর কারণেই কুয়োয় পড়ে যান তিনি।স্থানীয় সূত্রের খবর, সোনালি পার্কের ওই বাড়িতে বছর আড়াই আগে ভাড়া আসেন সম্রাটরা।মা ও ঠাকুমার সঙ্গে থাকেন। অসুস্থতার কারণে তেমন কোনও কাজ করতেন না। মা লক্ষ্মী সরকার আয়ার কাজ করে সংসার চালান।