কোচবিহার জেলার ১১ টি জলাশয়ে মৎস্য চাষের উদ্যোগ

39

প্রশান্ত দে, কোচবিহারঃ কোচবিহার জেলার মৎস্য চাষকে বৃদ্ধি করতে  পরিকল্পনা গ্রহণ করল কোচবিহার জেলা মৎস্য দপ্তর। এই লক্ষে জেলার ১১ টি  জলাশয়ে নতুন করে মাছ ছাড়া  হবে। বুধবার কোচবিহার দেবী বাড়িতে অবস্থিত লম্বা দিঘীতে (যমুনা ) ৫ কুইন্টাল মাছ ছাড়া  হয়। এদিন এই প্রকল্পের সূচনা করেন জেলা শাসক কৌশিক সাহা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক  জ্যোতির্ময় তাঁতি , কোচবিহার সদর মহকুমা শাসক সঞ্জয় পাল, কোচবিহার  জেলা মৎস্য আধিকারিক সম্পদ মাঝি সহ অন্যান্যরা।

চলতি বছরে লম্বা  দীঘিতে মোট ১৮ কুইন্টাল ৫০ কেজি মাছ ছাড়া হবে। বড় জলাশয়ে বড় মাছ উৎপাদন, এই প্রকল্পে টাকাগাছ মৎস্য জীবী সমবায় সমিতি এই জলাশয়ে মাছ উৎপাদনের  দায়িত্বে রয়েছে। জেলা শাসক কৌশিক সাহা জানিয়েছেন এই জলাশয়ে ১৮ কুইন্টালের বেশি মাছ ছাড়া হবে। এদিন ৫ কুইন্টাল মাছ ছাড়া হয়েছে।

মৎস্য দপ্তরের কোচবিহার  জেলার  অধিকারীক সম্পদ মাঝি জানিয়েছেন, জেলার ৪ টি জলাশয়ে  ময়না মডেলে মাছ উৎপাদন করা হবে । এগুলি হল  কোচবিহার ১, মাথাভাঙা ২ ও তুফানগঞ্জ ১,২ এছাড়াও ৭ টি স্থানকে বেছে নেওয়া হয়েছে বড় মাছ উৎপাদনের ক্ষেত্রে। কোচবিহার ১ ও ২, সিতাই , দিনহাটা ২,মাথাভাঙ্গা ১ একটি করে ও দিনহাটা ১-এ দুটি জলাশয়ে এই মৎস্য চাষ হবে।

কথায় আছে  মাছে  ভাতে বাঙালি। অন্ন  চিন্তা চমৎকারা !  পাতে আহারের বাহার আনতে মাছের জুরি নেই। নানা উপকরণে মাছ বাঙালির  খাদ্য তালিকায় এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে। তাই না কথায় আছে ‘ মৎস্য মারিব খাইব সুখে। ’ মৎস্য চাষের উৎপাদন বৃদ্ধি হলে, শুধু মাত্র আহারের তৃপ্তিই নয়, আর্থিক ভাবেও লাভবান হবে মৎস্য ব্যবসায়ীরা। সমৃদ্ধি হবে  জেলার অর্থনীতি।