১২ জন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা

212

ওয়েব ডেস্ক, ২৫ নভেম্বরঃ ফের উত্তর পূর্বের রাজ্যে তৃণমূলী হানা। সব জল্পনাকে সত্যি করে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা সহ ১২ জন কংগ্রেস বিধায়ক। কংগ্রেস শিবিরের জন্য এই ধাক্কা এক প্রকার অপ্রত্যাশিত ছিল। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর চলাকালীন, কাল রাতে এই বড় যোগদানের কথা সামনে আসে।

আজ মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী-সহ ১২ কংগ্রেস বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন বলে শোনা যাচ্ছে। সেটা হলে জোড়াফুল নেতৃত্বের কাছে উত্তর-পূর্বের ক্ষেত্রে একটি বড়সড় সাফল্য হবে বলে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এদিকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সাংমা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার কিছু ভালো খবর তিনি সবার সঙ্গে শেয়ার করবেন।

আজ মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন কংগ্রেস ত্যাগী বিধানসভার বিরোধী দলনেতা মুকুল সাংমা। সাংবাদিক সম্মলনে মুকুল বলেন, “২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আমরা আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে আমরাই সরকারে আসব। কিন্তু কোনও কারণে নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা না পেলেও ভোটের ফলে সর্ববৃহৎ দল হিসেবে আমরাই আত্মপ্রকাশ করি। কিন্তু তারপর কোন পদ্ধতিতে মেঘালয়ে সরকার গঠন হয়েছিল তা আপনারা সকলেই জানেন। গণতন্ত্রে বিরোধী দলের ভূমিকা অপরিসীম। জনবিরোধী কাজকে বাধা দেওয়া ও সরকারে ভুল গুলি তুলে ধরাই বিরোধী দলের প্রধান দায়িত্ব। আমরা সেই দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করে গিয়েছি। কিন্তু বলতে বাধ্য হচ্ছি, আমরা সঠিকভাবে বিরোধী দলের নীতি পালন করতে পারিনি। দলীয় নীতি মেনে চলতে গিয়ে জনস্বার্থের সঙ্গে আপোশ করতে হয়েছে। তাই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের নির্বাচনে ৬০ সদস্যের মেঘালয় বিধানসভায় কংগ্রেস ২১টি আসন নিয়ে একক বৃহত্তম দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল। কনরাড সাংমার নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) ১৯টি আসন পেয়েছিল, বিজেপি দুটি জিতেছিল। তবে এনপিপি পরে বিজেপি-সমর্থিত উত্তর পূর্ব গণতান্ত্রিক জোটে যোগ দেয়।