কোচবিহারে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে, দুর্নীতির অভিযোগ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে

30

কোচবিহার, ১৬ সেপ্টেম্বরঃ দিদিকে বলো কর্মসূচির মাধ্যমে তৃণমূল যখন ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে, ঠিক সেই সময় কোচবিহার ১ নং ব্লকের শুটকাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের উন্নয়নের কাজ নিয়ে গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে চলে আসায় দলীয় নেতৃত্বের মধ্যে অস্বস্তির সৃষ্টি হয়েছে। আজ ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের ৩ জোড়া ফুল প্রতীক নিয়ে জেতা পঞ্চায়েত সদস্য দলের স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি ও প্রধানের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

নমিতা অধিকারী, জগৎ চন্দ্র দাস ও মজিউল হক নামে ৩ পঞ্চায়েত সদস্য অভিযোগ করে জানান, তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত হওয়া সত্বেও তারা জোড়া ফুল প্রতীকে বিজয়ী পঞ্চায়েত সদস্য গ্রাম পঞ্চায়েত দপ্তরে প্রবেশ করতে পারেন না। তাদের এলাকায় কোনও রকম উন্নয়ন মূলক কাজ হচ্ছে না। ১০০ দিনের প্রকল্পে কাজ না করিয়েও প্রতিদিন নিজেদের অনুগামী যুবকদের ওই প্রকল্পে টাকা দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন প্রকল্পে মাছ চাষের জন্য ট্যাঙ্কি তৈরি করা, সুপারি গাছের চারা লাগানো সহ বেশ কিছু কাজে লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি করা হচ্ছে। এনিয়ে প্রশাসনের আধিকারিকদের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনও কাজ হচ্ছে না।

মজিউল হক নামে এক পঞ্চায়েত সদস্য অভিযোগ করে বলেন, “ দলের অঞ্চল সভাপতি নিজের মর্জি মতো যা খুশি করছেন। আমাদের অঞ্চল অফিসে ঢুকতে দিচ্ছেন না। একবার দপ্তরে গেলে বোমাও ছোঁড়া হয়। পরে পুলিশের সাহায্য নিয়ে সেখান থেকে বের হতে হয়েছে। অঞ্চল সভাপতির কথাতে প্রধান বেআইনি ভাবে কাউকে কাউকে সরকারী টাকা এমনিতেই দিয়ে দিচ্ছেন। অথচ আমাদের এলাকায় কোনও উন্নয়নের কাজ হচ্ছে না।’’

অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের শুটকাবাড়ি অঞ্চল প্রধান সিরাজুল হক বলেন, “ ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েতের কাজের সাথে দলীয় কোনও বিষয় যুক্ত নেই। তবে ওই ৩ পঞ্চায়েত সদস্যই এখন দল বিরোধী কাজের সাথে যুক্ত। তাই দলে তাদের গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। তাদের বুথ গুলিতে দল সাংগঠনিক ভাবে সমস্ত কাজ করছে।