কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন গুজরাতের দলিত নেতা জিগনেশ মেওয়ানি

44

ওয়েব ডেস্ক, ২৫ সেপ্টেম্বরঃ ২০১৭ সালে কংগ্রেসের সমর্থনে বিধায়ক হয়েছিলেন দলিত নেতা জিগনেশ মেওয়ানি। গুজরাতের বানসকন্থা জেলার ভাদগাম কেন্দ্র থেকে তিনি নির্বাচিত হন।

শুক্রবার জানা গেল, আগামী সপ্তাহে কংগ্রেসে যোগ দিতে চলেছেন জিগনেশ। সম্ভবত ২৮ সেপ্টেম্বর অথবা ২ অক্টোবর তিনি ভারতের জাতীয় কংগ্রেসে যোগ দেবেন। একসময় উনা অঞ্চলে দলিতদের ওপরে অত্যাচার নিয়ে সরব হয়েছিলেন জিগনেশ। একইসঙ্গে পাতিদার আন্দোলন নিয়ে বিখ্যাত হয়েছিলেন গুজরাতের আরও এক যুব নেতা হার্দিক প্যাটেল।

অন্যান্য পশ্চাত্‍পদ শ্রেণির অধিকার নিয়ে সরব হয়েছিলেন অল্পেশ ঠাকুর। হার্দিক ও অল্পেশ একসময় কংগ্রেসে যোগ দেন। ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগেই ওই দু’জন দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দলটিতে যোগ দিয়েছিলেন। জিগনেশ সরাসরি কংগ্রেসে যোগ না দিলেও ভোটে তাদের সমর্থন নিয়েছিলেন। হার্দিক প্যাটেল বর্তমানে গুজরাত প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি পদে রয়েছেন। অল্পেশ ঠাকুর গত বিধানসভা নির্বাচনের পরে বিজেপিতে যোগ দেন। কিন্তু উপনির্বাচনে তাঁর পরাজয় হয়।

জিগনেশ মেওয়ানি বলেন, আমাকে কংগ্রেসে যোগ দিতে বলা হয়েছে। আমি রাহুলজির সঙ্গে বেশ কয়েকবার দেখা করেছি। তাঁকে আমি সম্মান করি। কংগ্রেসে যোগ দিতে আমার আপত্তি নেই। কংগ্রেসে যোগ দিলে আমি বিজেপির বিরুদ্ধে আরও জোর লড়াই চালাতে পারব। পরে তিনি বলেন, আমি নিজস্ব পদ্ধতিতে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে চাই। কংগ্রেস যেন আমাকে সেই স্বাধীনতা দেয়। এছাড়া ওই দলের কাছে আমার কিছু চাহিদা নেই। শেষে জিগনেশ বলেন, আমি সমর্থক ও ভোটারদের সঙ্গে কথা বলছি। তাঁদের মতামত নিয়েই যা করার করব।

গুজরাতের এক শীর্ষস্থানীয় কংগ্রেস নেতা জানিয়েছেন, জিগনেশ শীঘ্র তাঁদের দলে যোগ দেবেন। আপাতত বিধানসভার ভিতরে এবং বাইরে তিনি কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক রাখছেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চায়, জিগনেশ কংগ্রেসে যোগ দিন। আগামী দিনে কেবল গুজরাতে নয়, দেশের অন্যান্য প্রান্তেও তাঁরা কংগ্রেসের হয়ে প্রচার করবেন। একসময় একটি গুজরাতি দৈনিকের সাংবাদিক ছিলেন জিগনেশ। পরে দলিত অধিকার রক্ষা সংগঠনে যোগ দেন। ১০ হাজার দলিত পরিবারকে তিনি জমি পেতে সাহায্য করেছিলেন। ওই পরিবারগুলি জমির কাগজ পেয়েছিল। কিন্তু তারা বাস্তবে জমি পায়নি।