জলপাইগুড়িতে করোনা আক্রান্তদের নানান পরিষেবা দিতে ময়দানে একদল তরুণ তুর্কি

27

জলপাইগুড়ি, ২৫ মেঃ কেউ কি করোনায় আক্রান্ত, বাড়িতে বাজার নেই! কারো কি অক্সিজেন সিলিন্ডারের প্রয়োজন? কাউকে কি হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে? খবর পেলেই ছুটে যাচ্ছেন সুশান্ত, রাহুল, পিনাকী শুভজিতরা। এরা সকলেই জলপাইগুড়ি পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের একদল তরুণ তুর্কি। এক সময় নিজেদের ওয়ার্ড দিয়ে ওই পরিষেবা চালু করলেও এখন পরিষেবার সীমা অনেক বেড়ে গিয়েছে। নিজেদের ওয়ার্ডের পাশাপাশি শহরের অন্য ওয়ার্ড গুলোতেও চলছে তাঁদের ওই পরিষেবা প্রদান।
ওই যুবকদের পক্ষে রাহুল সরকার জানিয়েছেন, তাঁদের এই পরিষেবা দলমত নির্বিশেষ সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এতে তাঁদের সহযোগিতা করছে জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব, রেডক্রস স্যোসাইটি ।

রাহুল বলেন, “ অনেকেই করোনা আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে গৃহবন্দী অবস্থায় রয়েছেন। বাজার করতে পারছেন না। আমাদের জানালেই বাজার করে দিচ্ছে। কারো বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা চলছে। কিন্তু অক্সিজেন প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। আমরা তা জোগাড় করে পৌঁছে দিচ্ছি। কেউ আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও আমরা করছি। আগে শুধুমাত্র ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে বিনামূল্যে এই পরিষেবা দিয়ে যেতাম। এখন আমরা ওয়ার্ডের বাইরে গিয়েও দিচ্ছি। আরও কি করে এই পরিষেবা বেশী বেশী মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, তা নিয়ে আমাদের মাধ্যে আলোচনা হয়েছে। আরও বহু এলাকায় গিয়ে আমরা কাজ করার সিধান্ত নিয়েছি।”

এদিকে করোনা আক্রান্তদের কাছে পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগের পাশাপাশি জলপাইগুড়িতে প্রবীণদের ভ্যাকসিন দেওয়া নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছিল, সেটাও মেটাতে তৎপর হয়েছে প্রশাসন। এখন আর প্রবীণ নাগরিক ভোর রাতে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে ভ্যাকসিন নিতে হচ্ছে না। সকাল সকাল এসেই ভ্যাকসিন নিতে পারছেন বলে জানিয়েছেন অনেক প্রবীণ বাসিন্দা।