নারদাকাণ্ডে ৪ তৃণমূল নেতার নামে লোকসভার অধ্যক্ষকে চিঠি দিল সিবিআই

661

ওয়েব ডেস্ক, ১ নভেম্বরঃ নারদাকাণ্ডে ফের লোকসভার অধ্যক্ষকে চিঠি দিল সিবিআই। এবার সহ লোকসভার অধ্যক্ষকে তৃতীয়বার চিঠি পাঠানো সিবিআই। ওই চিঠিতে সৌগত-কাকলি-শুভেন্দু-প্রসূনর নামে চিঠি দিল সিবিআই। চার্জশিট পেশের অনুমতি চেয়ে ফের চিঠি দেওয়া হয় বলে খবর সিবিআই সূত্রে। নারদা নিয়ে লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে প্রথম চিঠি পাঠানো হয় ৬ এপ্রিল। এরপর দ্বিতীয় চিঠি পাঠানো হয় ১৯ অগাস্ট ও ১৬ অক্টোবর তৃতীয় চিঠি পাঠানো হয় বলে জানায় সিবিআই।

যদিও এ বিষয়ে এখনও অবধি অধ্যক্ষের দফতরের কোনও উত্তর মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। এই চারজনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়েই লোকসভার অধ্যক্ষকে চিঠি পাঠিয়েছে সিবিআই আধিকারিকরা।

সূত্রের খবর, পুজোর সময় তিনি ব্যস্ত থাকবেন বলে সিবিআই আধিকারিকদের পাল্টা চিঠি চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন ম্যাথু। পুজোর পরে সিবিআই দফতরে যেতে পারেন বলে জানান তিনি। সেইমতোই গত ৯ অক্টোবর তাঁকে দেখা গেল সিবিআই দফতরে। এদিন দুপুরে নিজাম প্যালেসের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন ম্যাথু স্যামুয়েল।

জানা গিয়েছে, নারদাকাণ্ডে ধৃত ম্যাথুকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। জেরায় বেশ কিছু তথ্য হাতে এসেছে তদন্তকারীদের। সূত্রের খবর, এদিন তাঁকে নারদাকাণ্ডের একাধিক বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর থেকে আইফোনের পাসওয়ার্ড চাওয়া হয়। কিন্তু কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের আইফোনের পাসওয়ার্ড দিতে নারাজ নারদ কর্তা।

নারদ তদন্তে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই যে গতি বাড়িয়েছে তা বলাই বাহুল্য। তিন বছর ধরে তদন্ত চলার পর গত ২৫ সেপ্টেম্বর বর্ধমানের তৎকালীন পুলিশ সুপার এসএমএইচ মির্জাকে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা৷ নারদ তদন্তে এটাই প্রথম গ্রেফতারি৷ তৃণমূলের থাকাকালীন মুকুল রায়ের সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল মির্জার৷ নারদ ফুটেজে মুকুলের মুখে মির্জার নাম শোনা যায়৷ সেই মির্জাকে গ্রেফতারের পর পরই মুকুলকে তলব করা নিয়ে রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ সেপ্টেম্বর বর্ধমানের তৎকালীন পুলিশ সুপার এসএমএইচ মির্জাকে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা৷ এরপর গত ২৮ সেপ্টেম্বর শনিবার সিবিআই দফতরে হাজির হন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। নারদ তদন্তে এদিন সিবিআইয়ের জেরার মুখোমুখি হন তিনি। এরপরই জানা গিয়েছিল নারদাকাণ্ডে তলব করা হবে ম্যাথু স্যামুয়েলকে। পুজোর মধ্যেই তাঁকে সিবিআই দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে বলে জানা যায়। সূত্রের খবর, ৭ অক্টোবর থেকে ৯ অক্টোবরের মধ্যে নারদ কর্তাকে সিবিআই দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়।