‘জেহাদি কার্যকলাপ চলছে বাংলায়’, নৈহাটি বিস্ফোরণে তদন্তের দাবি লকেটের

100

ওয়েব ডেস্ক, ১০ জানুয়ারিঃ গতকাল নৈহাটি বিস্ফোরণ ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বাজি নাকি বিপুল বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করতে গিয়ে দুর্ঘটনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।বৃহস্পতিবার ঘটনার পরই নৈহাটির ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় যান সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়।জেহাদি কার্যকলাপ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি।গোটা ঘটনার এনআইএ তদন্তের দাবি করেছেন বিজেপি সাংসদ লকেট।

রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, এত বড় বোমা বিস্ফোরণ তাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন জলের মধ্যে বাজি নিষ্ক্রিয় করা হচ্ছিল। এই বিস্ফোরণ দেখে মনে হচ্ছে দেখে পশ্চিমবঙ্গ উড়ে যেতে পারত। জেহাদিরা এসে বসবাস করছে। জেহাদি কার্যকলাপ চলছে বাংলায়। অথচ কারও কোনও মাথাব্যথা নেই।

লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা খাগড়াগড় বিস্ফোরণ দেখেছি, পিংলা দেখেছিলাম। মৃতদের দেহ ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল।তাও কারও কিছু যায় আসে না।বিজেপি সাংসদ লকেট আরও বলেন, বাজি নিষ্ক্রিয় করার সময় কেন এত পুলিশের গাড়ি গিয়েছিল ছাইঘাটে? তারা কি গোপন করার চেষ্টা করছে? পুলিশেরও ধারণা নেই বোমার স্তূপে উপর বসে রয়েছে গোটা রাজ্য।

বৃস্পতিবারের এই ঘটনার পরই ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের আশ্বাস দেনন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘নৈহাটিতে জলের মধ্যে বাজি নিষ্ক্রিয় করা হচ্ছিল।কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ। কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্রয়োজনীয় সাহায্য করব একটা কাজ করতে গিয়ে কারও ক্ষতি হয়ে থাকলে দেখব।’

বৃহস্পতিবার তীব্র বিস্ফোরণে কাঁপে ওঠে নৈহাটি।বিস্ফোরণের তীব্রতায় কাঁপে গঙ্গার ওপাড়ে হুগলির চুঁচুড়াও। সেখানে বহু বাড়ির জানালার কাচ ভেঙেছে।বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশ কয়েকটি কয়েকটি বাড়ি।