জেএনইউ কাণ্ডে উঠল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি, রিপোর্ট তলব কেন্দ্রের

437

ওয়েব ডেস্ক, ৬ জানুয়ারিঃ বরাবরই গেরুয়া বাহিনীর ‘টার্গেটে’ থাকে জেএনইউ।এবারের অভিযোগ আরও মারাত্মক। জেএনইউ-এর বাম ছাত্র সংসদের অভিযোগ, এবিভিপি-র গুন্ডারা লোহার রড নিয়ে তাণ্ডব চালায় বিশ্ববিদ্যালয়ে। ঘটনায় মাথা ফেটেছে ছাত্র সংসদের সভাপতি ঐশী ঘোষের । ছাত্র সংসদের সভাপতি ছাড়াও গুরুতর জখম হয়েছেন আরও ২০ জন ছাত্রছাত্রী। খবর জানাজানি হতেই, রবিবার সন্ধ্যার এই ঘটনায় তোলপাড় পড়ে গিয়েছে দেশজুড়ে। ঘটনার পর রাতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করেছে আম আদমি পার্টি। উল্লেখ্য, দিল্লি পুলিশের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের হাতে। সেই পুলিশের বিরুদ্ধে জেএনইউ কাণ্ডে চূড়ান্ত অপদার্থতা, নীরব থাকার অভিযোগ উঠেছে।

যদিও দেশজোড়া চাপের মুখে জেএনইউ কাণ্ডে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রিপোর্ট তলব করেছেন। আইজি পদমর্যাদার পুলিশ অফিসারকে দিয়ে তদন্তের নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। জেএনইউ-র ভিতরে ঢুকে নিশানা করা ছাত্র সংসদের প্রতিনিধিদের। রীতিমতো লোহার রড দিয়ে মারা হয় পড়ুয়াদের। বাদ যাননি ছাত্র সংসদের সভাপতি, বাংলার মেয়ে ঐশী ঘোষও। তাঁকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। মাথা ফেটে যায় তাঁর ও অনেক পড়ুয়ার। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। ঐশীকে ভর্তি করা হয়েছে এইমসের ট্রমা কেয়ার ইউনিটে। পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তারক্ষীরা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, হামলার সময় ছাত্রীরা সবরমতী হোস্টেলের মহিলা শাখায় গিয়ে নিজেদের বাঁচানোর চেষ্টা করেন। সেইসময় আক্রমণকারীরা গোটা করিডরে ভাঙচুর চালায়। বাইরের কার পার্কিংয়েও চালানো হয় ভাঙচুর। গোটা ঘটনাটিকে জেএইইউ-তে এমারজেন্সি বলে ট্যুইটারে উল্লেখ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ।

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল লেখেন, ‘‌আমি জেএনইউ’‌র ঘটনায় মর্মাহত। নৃশংসভাবে ছাত্রদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। পুলিশের উচিত ছিল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়ুয়াদের ওপর হামলা চালানো হলে কোনও দেশ এগোতে পারে না কখনই।’‌