ঝাড়গ্রামে লক্ষীর ভাড়েতে আগুন, চিন্তায় গৃহস্থরা

41

কার্ত্তিক গুহ,ঝাড়গ্রাম: দুর্গাপুজার খরচের ঝোড়ো ইনিংসের রেশ এখনও কাটেনি। আবার গৃহস্থের ঘরে আসতে চলেছেন লক্ষ্মী দেবী। তাই এবারে মাথায় হাত গৃহস্থের।  অন্যান্যবারের মতো এ বারও এই পূজার আগে বাজারে জিনিসপত্রের দাম যে ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন সকলেই। দেবীর আরাধনা করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন মধ্যবিত্তেরা। থলে তো ভরছেই না, উল্টে পূজার জন্য বাজারের তালিকায় কাটছাঁট করে দেবীকে অল্পেতেই সন্তুষ্ট করার পথে হাঁটছেন অনেকেই। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা পসরা সাজিয়ে বসলেও তাঁদের কেনাকাটার বহরে তাঁরা নিজেরাই অসন্তুষ্ট। তাঁদের বক্তব্য, বিক্রিবাটা বেশি না হলে আমাদের লক্ষ্মীলাভ কীভাবে হবে ?

দুর্গাপূজার সময়েই ফল-ফুলের দাম যা বাড়ার বাজার চড়ে গিয়েছে। লক্ষ্মীপুজোর আগে ঝাড়গ্রামে ফলের দাম এখন অগ্নিমুল্য। ঝাড়গ্রামের সুভাষ চকের ফলবাজার কিংবা জুবিলী বাজারের ফলের দোকানগুলোতে দাম এখন চড়া  এই শুনেই হিমসিম খাচ্ছেন সকলে। এদিন আপেল বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা, চাপা কলা ৪০ টাকা, নাসপাতি ১০০ টাকা। এর পাশাপাশি এদিন আঙ্গুর ছিল দুশো টাকা কেজি, বেদানা ছিল ১৪০ টাকা কেজি, পেয়ারা ১৪০ টাকা কেজি,  শুধু তাই নয় একটি কমলালেবু বিক্রি হয়েছে ১০ টাকায়, একটি বাতাবি লেবু বিক্রি হয়েছে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ টাকা দামে । লক্ষ্মীপুজোয় যে উপকরণ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সেই ধানের শীষ বিক্রি হয়েছে কুড়ি টাকায়। সবমিলিয়ে পুজায় আয়োজন করতে গিয়ে পকেট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে গৃহস্থের।