হিংসায় নেতৃত্ব দিয়ে লিডার হওয়া যায় না: সেনা প্রধান

540

ওয়েব ডেস্ক, ২৭ ডিসেম্বরঃ সিএএ-র প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন স্থানে হিংসার ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন সেনা প্রধান বিপিন রাওয়াত।দিল্লিতে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “হিংসার আশ্রয় নেওয়া পড়ুয়ারা মানুষকে সঠিক পথে নিয়ে যাচ্ছে না।” নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটক এবং দিল্লিতে বিক্ষোভ চলাকালীন হিংসার ঘটনা ঘটেছে। সেনা প্রধান স্পষ্টতই সেই সব ঘটনার দিকেই আঙুল তোলেন। তিনি বলেন, “নেতৃত্ব মানেই সব কিছুকে সামনে থেকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। আপনি যখন এগিয়ে যান, সবাই অনুসরণ করে। এটি এতটা সহজ নয়। এটা সহজ মনে হলেও খুব জটিল। নেতৃত্ব হল যারা মানুষকে সঠিক পথে নিয়ে যায়। যারা জনগণকে সঠিক পথে নিয়ে যান না তারা নেতা নয়।”

নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে যে ভাবে শামিল হয়েছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা, তারও সমালোচনা করেছেন জেনারেল রাওয়াত। তিনি বলেন, ‘‘আমরা দেখছি, প্রচুর মানুষকে ভুল পথে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। সেই নেতৃত্বে কিছু ভুল থেকে যাচ্ছে। এটাকে নেতৃত্ব দেওয়া বলে না। আমরা অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজগুলিতে কী দেখছি। ছাত্ররা অগ্নিসংযোগ ও হিংসা চালাতে জনতার নেতৃত্ব দিচ্ছে। এটাকে নেতৃত্ব দেওয়া বলে না।”

এর আগে বুধবার প্রধানমন্ত্রী ‌বলেন, উত্তরপ্রদেশে যারা হিংসা ছড়ালো তাদের আমি বলতে চাই বাড়িতে বসে নিজেদের প্রশ্ন করে দেখুক, তারা যা করল সেটা ভালো না খারাপ। তারা যানবাহন ও জনসম্পত্তি ধ্বংস করল, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।

এদিকে, উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার ইতিমধ্যেই নোটিশ জারি করেছে, জনসম্পত্তি ভাঙচুরের মূল্য বিক্ষোভকারীদের সম্পত্তি বেচে চোকাতে হবে। এরমধ্যে সেনা প্রধান বিপিন রাওয়াতের এই বিষয়ে বক্তব্যকে রাজনৈতিক বলে দাবি করছে কংগ্রেস।