মহাষ্টমীতে জনজোয়ার কোচবিহারে, বড়দেবী বাড়িতে হল বিশেষ পূজা

127

কোচবিহার,৬ অক্টোম্বরঃ আজ দেবীপক্ষের মহাষ্টমী, পঞ্জিকা মতে এই দিনটি বিশেষ গুরত্ব পায় শারদ উৎসবে। প্রথা মেনে এদিন কোচবিহার দেবী বাড়িতে পূজার্চনা হয়। মহারাজাদের সময় কালের এই পুজাকে ঘিরে আজও মানুষের কৌতুহলের অন্ত নেই। এদিন প্রশাসনিক আধিকারিকরা সহ বহু সাধারন মানুষ । মহাষ্টমীর পুন্য তিথিতে জেলাশাসক কৌশিক সাহা ও সদর মহকুমাশাসক সঞ্জয় পাল দেবীর উদ্দেশ্য পুস্পাঞ্জলি দেন।

শুধু কোচবিহার নয়, দেশ বিদেশের বহু মানুষেরা এই পূজাতে ভিড় করে। নিয়ম মেনে হয়েছে বলিদান প্রথাও। এদিন কোচবিহার রামকৃষ্ণ মঠে কুমারী পূজারও আয়োজন হয়। কোচবিহার দেবত্র স্ট্রাস্ট বোর্ড পরিচালিত ডাঙরাই,রাজমাতা মন্দিরে দেবী দুর্গার উদ্দেশ্য হয়েছে বিশেষ পূজা। মদনমোহনের কাঠামিয়া মন্দির, বানেশ্বর সান্ডেশ্বর ও গোসানিমাড়ি কামতেশ্বরী মন্দিরে হয়েছে মূর্তি গড়ে পূজা। এছাড়াও বিভিন্ন পাড়ার ক্লাবে যে সমস্ত পূজার আয়োজন হয়েছে সেখানেও সাধারন মানুষের ভিড় ছিল চোখে পরার মতো।

অষ্টমীর সকালে উপচে পরা ভিড় বড়দেবী বাড়িতে

সপ্তমী কাটিয়ে আজ দেবীপক্ষের অষ্টমী, গতকালের সন্ধ্যায় কোচবিহারের রাস্তা মানুষের ভিড়ে উপচে ছিল। গোটা শহর ছিল আলোয় আলোকিত। প্রতিটি পূজা মণ্ডপে ছিল দর্শনার্থীদের ঢল। সবমিলিয়ে শারদ উৎসব একটা নতুন মাত্রা দিল কোচবিহার বাসীর কাছে। সপ্তমীর কাটিয়ে অষ্টমীর সকাল থেকে পূজা মণ্ডপ গুলিতে ছিল মানুষের ভিড়। উৎসবের এই দিনে সাধারন মানুষের ভিড় সামাল দিতে যান নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশ সহযোগিতা হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। কোচবিহার শহর পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন মহকুমা ও বাইরে থেকে আগত দর্শনার্থীদের গাড়ি নিদিষ্ট স্থানে রাখার জন্য তৈরী করা হয়েছে পার্কিং জোন।