প্রশাসনের কাছে আত্মহত্যার আর্জি মমতার

293

ওয়েব ডেস্ক, ৪ জানুয়ারিঃ মমতা আর বাঁচতে চান না। ছোটবেলার দুর্ঘটনায় হারিয়েছেন দুই চোখ। জুটছে না পর্যাপ্ত সরকারি সাহায্য। দরিদ্র দিনমজুর বৃদ্ধ বাবা মার সংসারে বসে হতাশায় ভুগছেন মমতা দাস।

কুড়ি বছর বয়সে, হরিশ্চন্দ্রপুর থানার ১ নং ব্লকের বারোডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা মমতার পায়ে শিঙি মাছের কাঁটা ঢুকে যায়। সেই কাটার বিষের প্রভাবে নষ্ট হয়ে যায় তাঁর দুই চোখই। কিছু চিকিৎসা করা হয়েও কাজ হয়নি। তাছাড়া অর্থের অভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি চিকিৎসা।

ছয় ভাইবোনের অভাবের সংসারে বড় মমতাই। তিন বোনের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। বড় দুই ভাই পৃথক থাকে। বাবা নিধি দাস ও মা নমিতা দাস দুজনেই দিনমজুর। মেয়ের চিকিৎসার টাকা, সংসার খরচ তোলার জন্য হিমশিম খাচ্ছেন বৃদ্ধ বাবা-মা।

মমতার অভিযোগ, তিনি কোনও সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন না। তার প্রতিবন্ধী প্রশংসাপত্র রয়েছে। বিগত পঞ্চায়েত থেকে প্রতিবন্ধী ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু সেটিও এখন অনিয়মিত। এমন অবস্থায় তাঁর বৃদ্ধ বাবা-মার কাছে বোঝা হয়ে তিনি থাকতে চান না আর। তাই প্রশাসনের দরবারে আত্মহত্যার জন্য আবেদন করছেন।

হরিশ্চন্দ্রপুর থানার ১ নং ব্লকের বিডিও মধুরিমা চক্রবর্তী মমতার ঘটনা বিষদে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন।