দুইবাংলার সৌভাতৃত্ব বন্ধনকে অটুট রাখতে মিলন মেলা কুচলিবাড়ির সীমান্তে

120

মেখলিগঞ্জ, ২৮ অক্টোবরঃ দুই দেশের কাটা তার যেন আটকে রাখতে পারল না এপার বাংলা এবং ওপার বাংলার মানুষদের। শ্যামা পূজা উপলক্ষে এমনই এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকল কোচবিহার জেলার কুচলিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ভেদুটারি এলাকা।

প্রসঙ্গত, প্রতিবছর কালীপূজার পরের দিন সৌভাতৃত্ব বন্ধনকে অটুট রাখতে দুই দেশে বসবাসকারী প্রিয়জনদের সাথে দেখা করতে সীমান্তে আসেন দুই প্রান্তের মানুষেরা। প্রতিবারের মতো এবারেও সমস্ত কিছু ভুলে দুই বাংলার মানুষ তাঁদের প্রিয় মানুষদের কাছে পেয়ে নিজেদের আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না। প্রিয়জনদের কাছে পেয়ে বাধ মানল না চোখের জলও। সব আনন্দ যেন মিলে মিশে একাকার হয়ে গেল এপার বাংলা রাজগঞ্জের মেহবুব আলম, কুচলিবাড়ির জ্যোতিবিকাশ রায়ের সাথে ওপার বাংলার সুশান্ত রায়, ফিরোজা বিবিদের। এযেন দুইবাংলার মানুষ মিলেমেশে একাকার হয়ে যায় এদিন। এই মেলায় তাঁরা খুঁজে পায় নিজেরদের মনের ভাব বিনিময়ের রসদ।

এদিনের এই মেলা প্রসঙ্গে জ্যোতিবিকাশ রায় বলেন,  সোশ্যাল মিডিয়ায় মাধ্যমে  ওপার বাংলার এক সাথী সুশান্ত রায়ের সঙ্গে আমার আলাপ হয়। কিন্তু দেখা করার সুযোগ কোনও দিনও হয়নি। কারণ আলাদা দুটি দেশ হওয়ায় রয়েছে অনেক নিয়মকানুন। এদিন এই নিয়ম কানুনের বেরাজালকে দূরে সরিয়ে রেখে কাঁটাতারের  ওপার থেকেই দুজনে করমর্দন ও বার্তালাপ করেন।

অন্যদিকে বাংলাদেশের রফিক আহমেদ মেহবুব আলমেরা বলেন, অনেকদিন পর ওপার বাংলার মানুষদের কাছে পেয়ে খুব আনন্দ হচ্ছে। তবে বলাই বাহুল্য, বন্দুক হাতে এইসব ঘটনার সাক্ষী থাকলেন সীমান্ত প্রহরার দায়িত্বে থাকা বিএসএফ জওয়ানরা।