স্কুলের বার্ষিকী ক্রীড়ার উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ

107

কোচবিহার, ৩ ফেব্রুয়ারিঃ বছর শুরুতে বিদ্যালয় গুলির পঠনপাঠন কর্মসূচীর বাইরে বিভিন্ন বার্ষিকী অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়। এর মধ্যে অন্যতম সরস্বতী পূজা, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। সোমবার কোচবিহার মনীন্দ্রনাথ হাই স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হয়। এই ক্রীড়া কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ।অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রফুল্ল মজুমদার ও অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা।

কোচবিহার জেলার অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মনীন্দ্রনাথ উচ্চ বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয়ে শিক্ষার অঙ্গ হিসেবে শিক্ষার পথই পাঠনের পাশাপাশি খেলাধুলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। এদিন তাঁদের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন হয়। এখানে দৌড়, হাই জাম্ফ, লং জাম্ফ, বর্শা ছোড়া, ডিসকাস থ্রো প্রভৃতি খেলায় অংশ নেয় ছাত্র-ছাত্রীরা।

অন্যদিকে এইদিনই কোচবিহার নীলকুঠি রামকৃষ্ণ বয়েজ হাই স্কুলের ৬৯তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন হয়। এখানে এই ক্রীড়া অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবলু মুর্মু সহ শিক্ষক শিক্ষিকারা।

এই ক্রীড়া কর্মসূচীর উদ্বোধন করে রবি বাবু বলেন, আমরা চাই শিক্ষার অগ্রগতি গ্রামীণ জীবনে শিক্ষার প্রসার ঘটাতে রাজ্য সরকার শিক্ষা ক্ষেত্রে বিভিন্ন কর্মসূচী নিয়েছে।মেয়েরাও যাতে শিক্ষা ক্ষেত্রে পিছিয়ে না থাকে তার জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কন্যাশ্রী প্রকল্প চালু করেছেন।সবুজ সাথী প্রকল্পের মাধ্যমে আজ ছাত্র-ছাত্রীরা সাইকেল পাচ্ছে। তাঁদের পায়ে হেঁটে স্কুলে আসতে হচ্ছে না।

বর্তমানে স্কুল ছুটের সংখ্যাও কমেছে। স্কুল বিল্ডিং গুলোকে সংস্কার করে শিক্ষার উপযোগী পরিবেশও তৈরি করা হয়েছে। পঠনপাঠন বাদেও ক্রীড়া ক্ষেত্রেও যাতে ছাত্র-ছাত্রীরা পিছিয়ে না থাকে সেদিকেও নজর দেওয়া হয়েছে। কারণ খেলার মাঠ শিশু কিশোরদের মনকে সবুজ করে। খেলা ধুলা করলে শরীর মন সুস্থ থাকে। তাই খেলাধুলার ক্ষেত্রেও সকল স্তরের ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে অংশ নেয় তারও আহ্বান জানান মন্ত্রী।