মির্জাকে নিয়ে মুকুলের বাড়িতে সিবিআই হানা

22

ওয়েব ডেস্ক, ২৯ সেপ্টেম্বরঃ নারদাকাণ্ডে শনিবার নিজাম প্যালেসে প্রায় আড়াই ঘণ্টা জেরা করা হয়েছিল বিজেপি নেতা মুকুল রায়কে। এর পর রবিবার সকালেই মুকুল রায়ের এলগিন রোডের ফ্ল্যাটে পৌঁছে গেল সিবিআই আধিকারিকরা। সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয়েছে নারদকাণ্ডে ধৃত আইপিএস এসএমএইচ মির্জাকে।

জানা গিয়েছে, আজ সকালে মির্জাকে নিয়ে মুকুল রায় বাড়িতে যান সিবিআইয়ের বেশ কয়েকজন আধিকারিক৷ সিবিআই সূত্রে খবর, ঘটনার পুনঃনির্মাণ করতে মুকুল রায় বাড়িতে যাওয়া হয়েছে বলে সিবিআই৷ মুকুল রায়ের এনগিন রোডের ফ্ল্যাটে নারদকাণ্ডের পুনর্নির্মাণ করতে মুকুলের বাড়িতে যান সিবিআইয়ের ৫ সদস্যের আধিকারিক৷ মুকুল রায়ের বাড়িতে গিয়ে আইপিএস অফিসার এসএমএইচ মির্জা জানান, তিনি মুকুলকে এক কোটি ৭০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন৷ ঠিক কোথায় তিনি টাকাটা দিয়েছিলেন তা দেখাতে মির্জাকে নিয়ে এই এনগিন রোডের ফ্ল্যাটে যান সিবিআর আধিকারিকরা৷

এদিন সিবিআইয়ের আধিকারিকদের আইপিএস মির্জা জানান, তিনি মুকুল রায়ের বাড়িতে যখন টাকা দিতে পৌঁছেছিলেন, তখন তিনি লিফট ব্যবহার করেছিলেন৷ আর সেই মতো সিবিআইয়ের আধিকারিকদের লিফটে করে মুকুল রায়ের তিন তলার ফ্ল্যাটে নিয়ে যান মির্জা৷ সেখানেই ছিলেন মুকুল রায়৷ এরপর আধিকারিকদের নিয়ে মির্জা মুকুলের ফ্ল্যাটে ঢুকে যান৷ সিবিআইয়ের আধিকারিকরা সেখানেই দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন৷ সিবিআই সূত্রে খবর, মুকুল রায়ের ফ্ল্যাটেও এক দফায় উভয়কে জেলা করা হয়৷ করা হয় ভিডিও রেকর্ডিং৷ মির্জা সিবিআইয়ে জানিয়েছেন, তিনি মুকুলের এলগিন রোডের ফ্ল্যাটে গিয়ে ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা দিয়ে এসেছিলেন৷

শনিবারই মুকুল রায় দাবি করেন, সিবিআই যখনই তাঁকে তলব করবে তখনই তিনি আসবেন। তিনি বলেন, এজেন্সি যদি অন্য কারও সঙ্গে যৌথভাবে তাঁকে প্রশ্ন করতে চায়, তবে তাতেও তিনি রাজি। এরপরই সরাসরি তৃণমূল নেত্রীকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নন, যিনি শুরু থেকেই বলেছিলেন সিবিআইকে সহযোগিতা করবেন না।

নারদাকাণ্ডে মির্জা এবং তৃণমূলের মন্ত্রী ও সাংসদ সহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। এফআইআর অনুসারে, মির্জাকে ১২ নম্বর অভিযুক্ত হিসাবে তালিকাভুক্ত করা হয়, দেখানো হয়েছিল যে তিনি প্রায় ৫ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন।