বাংলাদেশের হিংসার ঘটনায় বাংলার রাস্তায় প্রতিবাদ নামতে সাংসদ জগন্নাথ সরকার

90

ওয়েব ডেস্ক, ১৭ অক্টোবরঃ দুর্গাপুজোর সময় একের পর এক সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনার খবর আসে বাংলাদেশ থেকে। প্রথমে অষ্টমীর রাতে কুমিল্লা, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম সহ একাধিক স্থানে মণ্ডপে ভাঙচুরের খবর মেলে। এরপর দশমীতে নোয়াখালিতে অবস্থিত এক ইসকন মন্দিরে হামলা এবং দুই জনের খুন হওয়ার খবর পাওয়া যায়। এই পরিস্থিতিতে এবার বাংলার রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী চিঠি লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদীকে। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও সরব হয়েছেন এই বিষয়ে। আর এবার এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নামতে দেখা গেল নদিয়ার রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকারকে।

একাদশীর দিন শান্তিপুরে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের কর্মীরা একটি প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত করেছিলেন। সেই মিছিলে পা মেলাতে দেখা গিয়েছিল রানাঘাটের সাংসদকেও। উল্লেখ্য, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর এই আসনে উপনির্বাচন। সেই আসনে প্রার্থী হয়ে জিতেছিলেন জগন্নাথ সরকার। পরে তিনি বিধায়ক পদ ত্যাগ করায় আসনটি ফের খালি হয়। এই পরিস্থিতিতে উপনির্বাচনের প্রাক্কালে ওপার বাংলার পরিস্থিতিতে যে এবার বাংলার হাতিয়ার হতে চলেছে, তা মোটামুটি স্পষ্ট। পাশাপাশি ওপার বাংলার হিন্দুদের প্রতি সংবেদনশীল মনোভাব প্রদর্শন করে ২০১৯ সাল থেকেই মতুয়াদের একটি বড় অংশের ভোট পকেটে পুড়েছে বিজেপি। সেই ছককে কাজে লাগিয়েই শান্তিপুরের আসনটি ধরে রাখার চেষ্টা করবে বিজেপি।

এদিন নদিয়ার শান্তিপুর ডাকঘর মোড় থেকে মিছিলটি শান্তিপুর স্টেশন সংলগ্ন গোলপার্ক মোড় পর্যন্ত হয়। মিছিলে হাঁটার সময় সংবাদমাধ্যমকে জগন্নাথ সরকার বলেন, ‘বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচার নিয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দিয়েছে। হিন্দুদের উপর অত্যাচারের পিছনে যাদের হাত আছে, তাদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করুক হাসিনা সরকার। শুধু হিন্দুদের ধর্মীয় স্থান নয় প্রতিনিয়ত হিন্দু মা-বোনের উপর অত্যাচার হয়ে আসছে সেখানে।’