মাথাভাঙ্গা আদালত এবং শহরের ফুটপাতে গড়ে ওঠা অবৈধ জবরদখল নির্মাণ উচ্ছেদ অভিযানে নামলো পৌরসভা ও প্রসাশন

54

কাজল রায়, মাথাভাঙ্গাঃ পূর্বঘোষণা মতই রবিবার সকাল থেকে মাথাভাঙ্গা শহরের ফুটপাত এবং আদালত চত্বর জবরদখল মুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করল মহকুমা প্রশাসন। মহকুমা প্রশাসন এবং পুরসভার যৌথ উদ্যোগে এদিনের অভিযানে নামেন মাথাভাঙ্গা মহকুমা শাসক অচিন্ত্য কুমার হাজরা।

এদিনের এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, মাথাভাঙ্গা পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর চেয়ারম্যান লক্ষপতি প্রামানিক, মাথাভাঙ্গার এসডিপিও সুরজিৎ মণ্ডল, ডিএমডিসি খেশং ভুটিয়া, ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তর আধিকারিক। এছাড়াও যাতে কোন রকম কোন অপ্রতিকর ঘটনা না ঘটে তাঁর জন্য সকাল থেকেই ওই এলাকায় মতায়ন ছিল বিশাল পুলিশবাহিনী। দুটি আর্থমুভার দিয়ে এদিন সকাল থেকে প্রথমে আদালত চত্বর এবং তারপর শহরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইমিগ্রেশন রোডের দু’ধারে ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা বেআইনি নির্মাণ ভেঙে দেওয়া হয়।

মাথাভাঙ্গা শহরকে দখলমুক্ত করতে পৌরসভা ও প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে শহরে চালানো হয়েছিল অভিযান। মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে বৈঠকের পর আশুতোষ রোড়ে ফুটপাত দখল করে বেআইনি জবরদখল সরিয়ে নিতে ব্যবসায়ীদের জানিয়েও দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি খুচরো পয়সা নিতে যে সব দোকানদার অস্বীকার করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে মাইকিং করে প্রচার করা হয় মাথাভাঙ্গা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। মহকুমা শাসক অচিন্ত্য কুমার হাজরা ফুটপাত জবরদখল মুক্ত করতে ব্যবসায়ীদের ৭ দিনের সময় দেন। যদি আগামীতে ফুটপাত দখলমুক্ত না হয় তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে হুশিয়ারিও দেওয়া হয়েছিল ব্যবসায়ীদের।

এদিনের এই দখল মুক্ত অভিযান সম্পর্কে মাথাভাঙ্গা মহকুমা শাসক অচিন্ত্য কুমার হাজরা জানান, মাথাভাঙ্গা শহরের ফুটপাত এবং আদালত চত্বর দখলমুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সাতদিনের সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল। শনিবার সেই সময়সীমা পেরিয়ে গিয়েছে। তাই রবিবার সকাল থেকেই প্রশাসনের তরফে দখল মুক্ত করতে এবং বেআইনি নির্মাণ উচ্ছেদ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশ মেনে অনেক ব্যবসায়ী আগেই বেআইনি নির্মাণ নিজেরাই সরিয়ে নিয়েছেন। যারা সরাননি সেই সমস্ত বেআইনি নির্মাণ রবিবার ভেঙে দেওয়া হয়। মাথাভাঙ্গা শহরের সমস্ত রাস্তার ফুটপাত দখলমুক্ত করতে লাগাতার এই অভিযান চলবে বলেও তিনি জানান।