নারদ কাণ্ডে নয়া মোড়, ৫ দিনের সিবিআই হেফাজত আইপিএস অফিসার এসএমএইচ মির্জার

6

ওয়েব ডেস্ক, ২৬ সেপ্টেম্বরঃ  নারদ কাণ্ডে সোমবার পর্যন্ত সিবিআই হেফাজত হল প্রাক্তন আইপিএস অফিসার এসএমএইচ মির্জার। এই প্রথম নারদ মামলায় কোনও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল সিবিআই।

সিবিআই-এর বিশেষ আদালত এসএমএইচ মির্চার সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেয়। জিজ্ঞাসাবাদে বয়ানে অসংগতি মেলায় গ্রেফতার করা হয়েছে প্রাক্তন আইপিএস অফিসারকে। ২০১৪ সালে বর্ধমানের পুলিস সুপার থাকাকালীন রাজ্যের শাসকদলের নেতাদের হয়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে।

ম্যাথু স্যামুয়েলের স্টিং অপারেশনের ফুটেজের সূত্র ধরেই এগোতে চাইছেন সিবিআই আধিকারিকরা। আর সেখানেই লুকিয়ে রয়েছে মির্জার গ্রেফতারির কারণ। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ম্যাথুর উল্টোদিকে বসে রয়েছেন সরকারি আধিকারিক এসএমএইচ মির্জা। এবং ম্যাথুর সঙ্গে টাকাপয়সা নিয়ে কথা বলার সময়েই তাঁর ফোনে এক ব্যক্তি ফোন করেন। টাকা কোথায় পাঠানো হবে, ওই ব্যক্তিই মির্জাকে নির্দেশ দেন। এবং ওই ফোনটি পাওয়ার পর মির্জা আরও বেশ কয়েকটি ফোন করেন। ফোনে তিনি এক জনকে কত টাকা কোথায় পাঠানো হবে, তা নির্দেশ দেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, মির্জার থেকেই জট খুলতে শুরু করবে এই রহস্যের।

সিবিআই আধিকারিকরা প্রশ্ন করেছিল, কে ফোন করেছিলেন? এবং ওই ফোনটি পাওয়ার পর মির্জা কাকে বা কাদেরকে ফোন করেছিলেন টাকা নিয়ে যাওয়ার জন্য? কিন্তু জেরায় সেসব প্রশ্নের উত্তর দেননি মির্জা। তাঁর কথাতেও একাধিক অসঙ্গতি মিলেছিল। তাই তাঁকে গ্রেপ্তার করে এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে চান সিবিআই আধিকারিকরা।

প্রসঙ্গত, নারদাকাণ্ডে মোট ১৩ জন অভিযুক্ত। তাঁদের মধ্যে মির্জাই একমাত্র সরকারি আধিকারিক। আইপিএস মির্জাকে মোট সাত বার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল সিবিআই। আজ, বৃহস্পতিবার অষ্টমবার তাঁকে নিজাম প্যালেসে ডাকা হয়। গোয়েন্দাদের কোনও প্রশ্নেরই সদুত্তর দিতে না পারায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।