কোন কাগজ দাখাতে হবে না, কাগজ ছাড়া মিলবে ক্ষতিপূরণঃ মমতা

498

ওয়েব ডেস্ক, ২১ জানুয়ারিঃ  নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ও জাতীয় নাগরিকপুঞ্জি আইনের প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল। পিছু হটেনি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই এনআরসি,সিএএ ও এনপিআর এর মধ্যেই মমতা সরকারের বড় ঘোষণা, আর কাগজ দেখানো হবে না৷ কাগজ ছাড়াই মিলবে ক্ষতিপূরণ৷ উপযুক্ত কাগজ না থাকায় সরকারের দেওয়া ক্ষতিপূরণ পেতে হয়রানির শিকার হচ্ছেন কৃষকরা৷

এমনই অভিযোগ পেয়ে নড়েচড়ে বসে মমতা সরকার৷ ঘোষণা করা হয়, উপযুক্ত কাগজ ছাড়াই মিলবে ক্ষতিপূরণ৷ এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসাশনিক বৈঠকে পাথরপ্রতিমায় উপস্থিত হয়ে বলেছিলেন, বুলবুল ঝড়ে অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা৷ তাই রাজ্য সরকারের আবাস প্রকল্পে বিধ্বংসী বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হবে৷ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মেনে কৃষি দফতর জানিয়েছে, জমির পরচা না দেখালেও বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা ক্ষতিপূরণ পাবে৷

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের নভেম্বরে বুলবুল ঘূর্ণিঝড়ের জেরে মৃত্যুর পাশাপাশি বাড়ি-ঘর ভেঙেছে অনেক গরীব পরিবারের৷ ক্ষতি হয়েছে কৃষি জমির৷ দক্ষিন ২৪ পরগনার পাশাপাশি ক্ষতি হয়েছে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলায়ও৷ বুলবুল ঘূর্ণিঝড়ে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার মধ্যে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বসিরহাট এবং সন্দেশখালি।

বুলবুলের পরেই জানা গিয়েছিল, ঝড়ে পনেরো লক্ষ হেক্টর জমির ধান নষ্ট হয়ে গিয়েছে। পানীয় জল নষ্ট হয়ে গিয়েছে। পাঁচ লক্ষ মাটির বাড়ি ভেঙে গিয়েছে, নদীর পাড় ধসে গিয়েছে৷ তারপরই কৃষকদের কে তাদের প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করে সরকার৷