এক্স-রে প্লেট নেই, বন্ধ মাথাভাঙ্গা মহকুমা হাসপাতালে এক্স-রে পরিষেবা

28

কাজল রায়, মাথাভাঙ্গাঃ মাথাভাঙ্গা মহকুমা হাসপাতালে প্রায় দেড় মাস ধরে এক্সরে পরিষেবা বন্ধ থাকায় সমস্যা পড়েছেন রোগী ও তাদের আত্মীয় পরিজনেরা। বাধ্য হয়ে বাইরে গিয়ে বেসরকারিভাবে এক্সরে করতে হচ্ছে রোগীদের। হাসপাতাল সূত্রের খবর, সরকারিভাবে এক্স-রে প্লেট সরবরাহ বন্ধ থাকায় ব্যাহত হচ্ছে রোগীদের চিকিৎসা। বাইরে থেকে এক্সরে করে আনার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে রোগীর পরিবারকে।

শীতলখুচি ব্লকের ডাক ঘোড়া এলাকার বাসিন্দা বিমল বর্মন, গোপাল পুরের বাসিন্দা রমেশ রায় প্রমুখের অভিযোগ, তারা হাসপাতালে আউটডোরে দুই টাকার টিকিট কেটে চিকিৎসা করানোর জন্য আসেন তারপর এক্স-রে করাতে যান, এক্স-রের দরজা খোলা রয়েছে কিন্তু এক কর্মী বলেন, প্লেট নেই এক্সরে বন্ধ রয়েছে বাইরে থেকে করে নিয়ে আসুন। দেড় মাস ধরে এক্সরে পরিষেবা বন্ধ রয়েছে। ফলে বাইরে থেকে এক্সরে করাতে খরচ লাগছে প্রচুর বলে সমস্যায় রয়েছেন রোগীরা।

রোগী এবং রোগীর পরিজনেরা বলেন, দীর্ঘদিনের দাবি মাথাভাঙ্গা মহাকুমা হাসপাতালে ডিজিটাল এক্সরে মেশিন বসানো হোক, কিন্তু সেই দাবি এখনো পূরণ হয়নি। অপরদিকে হাসপাতালের এক্স-রে পরিষেবাও দেড় মাস ধরে বন্ধ এটা কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না সাধারণ গরিব রোগী এবং রোগীর আত্মীয় পরিজনেরা। মহকুমা হাসপাতালে বিগত প্রায় দেড় মাস থেকে এক্সরে পরিষেবা বন্ধ নিশ্চয়ই কোনো গাফিলতি রয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগের।

সমস্যার কথা অবশ্য স্বীকার করে নিয়েছেন মাথাভাঙা মহাকুমার হাসপাতালের সুপার ডক্টর দেবদীপ ঘোষ। তিনি বলেন, প্রাপ্ত বয়স্ক শিশুদের এক্স-রে প্লেটের বিভিন্ন ধরনের মাপ থাকে। এক্সরে প্লেট গুলি মূলত জেলা হাসপাতাল থেকেই আসে। অনেকদিন আগে বেশ কয়েকবার জেলায় রিকুইজিশন দেওয়া হয়েছে। পুনরায় এক্সরে পরিষেবা চালু করার যাবতীয় প্রচেষ্টা চলছে। কোন ব্যাপারেই খামতি রাখা হচ্ছে না। যতদিন মহকুমা হাসপাতালের এক্স-রে পরিষেবা চালু না হবে ততদিন বাইরে থেকেই সাধারণ গরিব মানুষ এক্সরে করতে বাধ্য হবে। দেখা যাক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এক্সরে সমস্যা মেটাতে কতটা ভূমিকা পালন করে সেটার অপেক্ষায় রোগী ও তার পরিজনেরা।