দেশদ্রোহিতার অভিযোগে তিহার জেলে ১০ দিন ছিলেন নোবেলজয়ী অভিজিৎ !

1782

ওয়েব ডেস্ক, ১৫ অক্টোবরঃ অমর্ত্য সেনের পর ফের ইতিহাস রচনা বাঙালির। ২০১৯-এর অর্থনীতিতে নোবেল পাচ্ছেন বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশ্ব জুড়ে দারিদ্র্য দূরীকরণ নিয়ে কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ নোবেল পাচ্ছেন তিন অর্থনীতিবিদ। স্ত্রী এস্থার ডাফলোর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়ে গবেষণা করছেন অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু জানেন কি এক সময়ে টানা ১০ দিন তিহার জেলে ছিলেন অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়।

এক সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা গেছে, সেই সময়ে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে সেই সময়ে পড়তেন নোবেলজয়ী অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় সাল ১৯৮৩। ছাত্র সংগঠনের সভাপতিকে বরখাস্ত করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা উপাচার্যকে ঘেরাও করেছিলেন। ফলস্বরূপ তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছিল।

২০১৬ সালে সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত এক রিপোর্টে অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় তিহারের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন টানা ১০ দিন তাঁদের উপরে পুলিশের অত্যাচার চলেছিল তিহার জেলে। গ্রেফতার হওয়া প্রত্যেক পড়ুয়াকেই মারধর করা হয়েছিল।অভিজিৎবাবু সংবাদমাধ্যমের কাছে বলেছিলেন, আমাদের মারধর করা হয়েছিল। দেশদ্রোহিতার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সৌভাগ্যবশত সেই চার্জ উঠে যাওয়ার ফলে আমাদের ১০ দিনের বেশি থাকতে হয়নি। সেই সময়ে কেন্দ্রে কংগ্রেস ছিল ক্ষমতায়। অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, ওরা বলত, আমরা বস। চুপ করে থাকো। ভদ্রভাবে থাকো। সরকার সেই সময়েও বিশ্ববিদ্যালয়ে আধিপত্য বিস্তার করতে চাইত বলে জানিয়েছিলেন নোবেলজয়ী।

প্রসঙ্গত, ১৯৮১ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক হন অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে ১৯৮৩ সালে দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পাশ করেন। ১৯৮৮ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেন তিনি।