কালীপূজা উপলক্ষে সেজেছে তারাপীঠ, ঢেলে সাজানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা

37

বোলপুর, ২৭ অক্টোবরঃ দীপান্বিতা কালীপূজায় এক অন্য আঙ্গিক তারাপীঠ মন্দিরে। এখানে মানুষের ঢল নেমেছে। সারা বছর মা তারা হিসেবে পূজিত দেবী । কালীপূজার সময় সেই দেবী কালী রূপে পূজিত হয়। কালী পূজার রাতেই মা তারাকে সোনার গহনার সাজে সজ্জিত করা হয়। আর এই স্বর্ণালঙ্কার শোভিত রাজ রাজেশ্বরী বেশে মা তারার দর্শন পাওয়ার জন্য কালী পূজার দু’দিন আগে থেকেই তারাপীঠে দর্শনার্থীদের  ভিড় জাকজমকপূর্ণ। এই সময় গোটা তারাপীঠই উৎসবের আনন্দে সেজে উঠে।

এই মন্দিরের পুরোহিত জানান, কালীপুজোর দিন গভীর রাতে নিশিপূজা হয় তারা মায়ের। নিশিপূজার সময় মা তারাকে স্নান করিয়ে বেনারসী শাড়ির সঙ্গে সোনার গহনা দিয়ে সাজানো হয়। কালীপূজার দিন মা তারার জন্য দু’বেলা অন্নের ভোগ হয়। অন্নের ভোগে থাকে খিচুড়ি, পোলাও, পাঁচ রকম ভাজা, দু’তিন রকমের তরকারি, মাছও থাকে। একই সঙ্গে মন্দির চত্বরে ছাগ বলিদানের মাংস, পোড়ানো শোল মাছ, চাটনি, পায়েস ও মিষ্টির ভোগ নিবেদন করা হয়। এ ছাড়াও সন্ধ্যারতির সময় লুচি-মিষ্টির ভোগ নিবেদন করা হয়।

তারাপীঠ মন্দির সেবায়েত সমিতির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন,“মা তারা’র মন্দির চত্বরে আলোর মালায় সাজানো হচ্ছে। তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদ এবং তারা মাতা সেবায়েত সমিতির পক্ষ থেকে গতকাল থেকেই সেই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছ।”

মন্দির সেবায়েত সমিতির সম্পাদক ধ্রুব চট্টোপাধ্যায় বলেন,‘‘এলইডি আলোর রোশনাই থাকলেও সেবায়েত বাড়ির মহিলারা মাটির প্রদীপ জ্বালিয়ে যে ভাবে দীপাবলির রাতে মন্দির চত্বর সাজিয়ে তোলেন তা অত্যন্ত নান্দনিক এবং নয়নাভিরাম।’’

তারাপীঠে কালীপূজা উপলক্ষে মন্দির চত্বর থেকে শুরু করে শ্মশান এলাকায় পুলিশ,প্রশাসন থেকে বিশেষ নিরাপত্তা ও নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে।