বিজেপি জেলা সভাপতি সহ প্রায় ২০০ কর্মীকে আটক করল পুলিশ

25

নিজস্ব প্রতিনিধি, বীরভূমঃ নানুরে দলীয় নেতা স্বরূপ গড়াই এর মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পুলিশ সুপারের দপ্তরের সামনে ধরনায় বসেছিল বিজেপি৷ আটদিনের মাথায় সেই ধরনা তুলে দিল পুলিশ৷ আটক করা হয়েছে দলের জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল, সাধারণ সম্পাদক কালোসোনা মণ্ডল সহ একাধিক বিজেপি সহ ২০০ জন কর্মীকে আটক করে নিয়ে যায় সিউড়ি থানায়। পাশাপাশি পুলিশের তরফ থেকে খুলে দেওয়া হয় মঞ্চ এবং সাউন্ড সিস্টেম।

প্রসঙ্গত, ৬ সেপ্টেম্বর দলীয় পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে নানুরের রামকৃষ্ণপুরে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে বচসা বাধে৷ তারপর শুরু হয় সংঘর্ষ। চলে বোমাবাজি৷ গুলিবিদ্ধ হন স্থানীয় বিজেপি কর্মী স্বরূপ গড়াই৷ তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়৷ ঘটনায় তৃণমূল পরিচালিত জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ কেরিম খান সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়৷

অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ৭ সেপ্টেম্বর থেকে বীরভূমের পুলিশ সুপারের দপ্তরের সামনে ধরনায় বসে বিজেপি। এতদিন পুলিশের তরফে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি৷ ইতিমধ্যে সোমবার কলকাতায় মৃত্যু হয় স্বরূপের৷ শনিবার সকালে সেখানে অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (বীরভূম) সুবিমল পালের নেতৃত্বে সিউড়ি থানার পুলিশ ও কমব্যাট ফোর্স আসে৷ তুলে দেওয়া হয় ধরনা৷

পুলিশের দাবি, পুলিশ সুপারের দপ্তরের ২০০ মিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি থাকে৷ সেজন্য তুলে দেওয়া হয়েছে ধরনা৷ যদিও বিজেপি নেতাদের একাংশের বক্তব্য, সারা বছরই তো সেখানে ১৪৪ ধারা জারি থাকে৷ তাহলে আটদিনের মাথায় হঠাৎ আজই কেন পুলিশ তৎপর হল? এব্যাপারে অবশ্য মুখ খুলতে চায় নি পুলিশ৷

এদিকে, আজ ধরনা মঞ্চে আসছিলেন স্বরূপবাবুর স্ত্রী৷ অভিযোগ, তাঁকে সিয়ান গ্রামের কাছে আটকে দেওয়া হয়৷ এরপর শান্তিনিকেতন থানায় যান তিনি৷ পরে পুলিশি নিরাপত্তায় তাঁকে গ্রামে ফেরানো হয়৷