করোনার ভ্যাকসিন নিতে এসে হয়রানির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ কোচবিহার পুরসভায়

731

কোচবিহার, ২৫ মেঃ করোনা ভেকসিন নিতে এসে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দারা। আজ কোচবিহার পুরসভার সামনে ওই বিক্ষোভ হয়। বিক্ষভকারীদের অভিযোগ, আগাম কোন তথ্য না জানানোয় আজ নির্দিষ্ট আবেদনপত্র নিয়ে ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। কিন্তু আচমকায় বলে দেওয়া হল, এদিন শুধুমাত্র হকারদের দেওয়া হবে। তাহলে সেটা আগে কেন জানানো হল না। তাহলে সাধারণ বাসিন্দারা এভাবে হয়রানির শিকার হত না।

যদিও এদিন পুরসভার পক্ষে ভ্যাক্সিনেশনের দায়িত্বে থাকা কর্মী রাজু ঘোষ বলেন, “একটা ভুল তথ্য কে বা কারা ছড়িয়ে দিয়েছিল যে আজ আবেদন পত্র জমা নেওয়া হবে না। তার জন্য সমস্যা তৈরি হয়েছিল। সেটা মিটে গিয়েছে। এদিন যারা টোকেন নিয়ে এসেছে তাঁদের ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। আর যারা আবেদন পত্র জমা দিচ্ছেন, তাঁদের নাম সিরিয়াল অনুযায়ী কম্পিউটারে নথিভুক্ত করে টোকেনের মাধ্যমে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।”

অন্যদিকে এদিন ভ্যাসিন নিতে আসা কোচবিহার শহরের পাটাকুড়া এলাকার বাসিন্দা রতন কুমার দে বলেন, “সকাল ৮ টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এখন বলা হচ্ছে শুধুমাত্র হকারদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। তাহলে সেটা আগে কেন জানানো হল না, তাহলে মিছেমিছি আমাদের এই হয়রানি পোহাতে হত না।” নিজের স্ত্রীকে ভ্যাকসিন দেওয়াতে নিয়ে এসেছেন দেবীবাড়ি এলাকার ৭৫ বছরের এক বাসিন্দা।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ এই বয়সে এসে যদি এভাবে হেনস্থার শিকার হই। তাহলে কি করে মেনে নেওয়া যায়। যদি এদিন শুধুমাত্র হকারদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে বলে সিধান্ত হয়েছে, সেটা আগাম জানিয়ে দিলেই হত।”

রাজ্যের অন্যান্য জেলার মত কোচবিহারেও প্রতিদিন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। মহকুমা গুলোর তুলনায় জেলা শহরে আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই বেশী। একদিকে যেমন করোনা পরীক্ষার কাজ চলছে, তেমনি এই শহরের একাধিক জায়গা থেকে ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজও শুরু হয়েছে। দিন দিন ভ্যাকসিন দেওয়া জন্য থাকা কেন্দ্র গুলোতে ভিড় ক্রমশ বেড়েই চলেছে। আর সেই কারণেই সমস্যা তৈরি হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।