বর্ষার আগেই নদী ভাঙন রোধে ও স্থায়ী বাঁধের দাবি এলাকাবাসীর

44

বিদ্যুৎ কান্তি বর্মন,ঘোকসাডাঙ্গাঃ প্রাকৃতিক দুর্যোগের যেন কিছুতেই কাটছেনা , প্রায় প্রতি দিনই লড়াই করে চলছে ফুলবাড়ি গ্রামপঞ্চায়েতের তাপসীতলা এলাকার জলঢাকা নদীর তীরের বসবাস করি মানুষরা। তাদের একটাই চিন্তা প্রতিদিন যেভাবে ভাঙন হচ্ছে তাতে তাঁদের পক্ষে ভরা বর্ষায় বসবাস করা অসম্ভব হয়ে পরবে। তাই তাঁদের দাবি নদী ভাঙ্গান রোধে ব্যবস্থা নিক সরকার। স্থায়ী বাঁধ তৈরী করে বসবাসের নিশ্চিতার গ্যারেণ্টী দিতে হবে প্রশাসনকে।
মাথাভাঙ্গা ২ নাম্বার ব্লকের ফুলবাড়ি গ্রামপঞ্চায়েতের জলঢাকা নদীরতীরে তাপসীতলায় কয়েক শত কৃষি জমি আছে।সেই কৃষি জমিত চাষ আবাদ করেই এলাকার মানুষ জীবন যাপন করে তাদের জীবিকার নির্ভরকরে। তাদের একমাত্র সম্বল বলতে কৃষি জমি ও চাষ আবাদ।কিন্তু এখন দিনদিন বাঁধ না থাকায় সেই কৃষি জমিও জলঢাকা নদীর গর্ভে চলে যাছে।এইভাবে যদি প্রতিনিয়ত নদীর পাড় ভেঙে তবে তারা কি ভাবে বেঁচে থাকবে সেই আশংকাতেই দিন কাটাচ্ছে তপসী তলার জলঢাকা নদী তীর বর্তি এলাকার মানুষরা।
এলাকার বাসিন্দা সুভাষ রাজবংশী, বাশিনাথ সরকার, সুশান্ত বড়াই,গোপাল মন্ডল,সুরেশ সরকারা বলেন প্রায় ৩০০ থাকি ৪০০ বিঘা জমি জলঢাকা নদীর গর্ভে চলে গেছে । সুভাষ রাজবংশী বলেন, আমার প্রায় ১৫ বিঘা চাষের জমি নদীতে চলে গিয়েছে।স্থানীয়রা বলেন আমরা অনেক বার বিষয়টি প্রশাসনের কাছে জানিয়েছি, কিন্তু তাতেও কোনো কাজ হয়নি ।এভাবে ভাঙতে থাকলে আমাদের বেঁচে থাকাই কষ্ট হয়ে উঠবে। কৃষিই আমাদের প্রধান জীবিকা। এবারে বর্ষা শুরু না হইতে নদীর পার ভাঙ্গা শুরু হয়েছে।বর্ষা আসলে আরো ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরী হবে নদীর গতিবেগ।এই রকম অবস্থায় আমাদের দীর্ঘ দিনের দাবি আমরা এবার বর্ষার আগেই পূরণ করাবার জন্য প্রশাসকে জানাচ্ছি ,যাতে আমাদের দাবী মেনে নিয়ে নদী ভাঙ্গন বন্ধ ও স্থায়ী বাঁধ তৈরী করা হয়।
এই বিষয়ে মাথাভাঙ্গা ২নং ব্লকের বিডিও রজত রঞ্জন দাস বলেন, ওই এলাকার নদী ভাঙনের বিষয়টি সেচ দপ্তরকে জানা হয়েছে।