মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে গিয়ে বিজেপির বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন রবি

1274

কোচবিহার,১৮ অক্টোবরঃ বিজেপির গান্ধী সংকল্প যাত্রাকে ঘিরে বিজেপি তৃণমূলের গোলমালে এক তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় পর থেকেই থমথমে পাতলাখাওয়ায় শুটিং ক্যাম্প এলাকার পরিবেশ। শুক্রবার ওই মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে গিয়ে সমবেদনা ও পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্র নাথ ঘোষ।

এদিন ওই কর্মীর বাড়িতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, দুঃখ প্রকাশ করার ভাষা নেই। পাশাপাশি কোচবিহারের বিজেপি নেতাদের কটাক্ষ করেন মন্ত্রী। তিনি বিজেপির সভানেত্রী মালতি রাভা ও নিশীথ প্রামানিককে ফুলনদেবী এবং হাজী মাস্তানের সাথে তুলনা করেন তিনি। এইভাবে সারাটা জেলায় সন্ত্রাস সৃষ্টি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এই বাহিনী। তিনি আরো বলেন, ” এই ঘটনায় যারা দোষী তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে ।

প্রসঙ্গত,বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পাতলাখাওয়া এলাকায় তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। এরই মাঝে পড়ে মৃত্যু হয় ওই এলাকার সক্রিয় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী মজির উদ্দিন সরকারের। এই সংঘর্ষে তৃণমূল কংগ্রেসের চারটি কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। ওই রাতেই ভাঙচুর হওয়া দলীয় কার্যালয় গুলি পরিদর্শনে যান উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ।

স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ করে বলেন, গতকাল ছিল বিজেপির সংকল্প যাত্রা, সেই যাত্রা কোচবিহারের দিকে ফেরার পথে সাংসদ নিশীথ প্রামানিকের উপস্থিতিতে তাঁর সাথে ১০০ বেশী বাইকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিজেপি সমর্থকরা  পাতলাখাওয়া বাজার সংলগ্ন এলাকায় থাকা তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও কর্মীদের বেধড়ক মারধর এবং বোমাবাজি করে। সেইসময় অনেক তৃণমূল কর্মী ছোটাছুটি করে প্রানে বাঁচলেও রেহাই পাননি মজিরুদ্দিন সরকার।এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে কোচবিহারের একটি বেসরকারি নাসিংহোমে ভর্তি করলে গতকাল তাঁর রাতেই মৃত্যু হয়।

যদিও তৃণমূল এই দাবিকে আমূল দিতে রাজি নয় বিজেপি নেতৃত্ব। দলের রাজ্য নেতা সায়ন্তন বসু বলেন, মৃত্যু দুঃখজনক ঘটনা। গতকাল ঘটে যাওয়া ঘটনাকে তৃণমূল যেভাবে বিকৃত করছে তা তাঁদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধন করার জন্য। ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে হৃৎ রোগে আক্রান্ত হয়ে।

এবিষয়ে সাংসদ নিশীথ প্রামানিক বলেন, সেখানে কোন বিজেপি তৃণমূল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেটি। একটি স্বাভাবিক মৃতুর মতো সামান্য ঘটনা নিয়ে তাঁরা রাজনীতি শুরু করেছে যা মটেই কাম্য নয়।